নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আতিকুল আলম শাওন ও কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন (কায়সার) কে নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দল থেকে বহিষ্কার হলেও তাঁরা দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বক্তব্য দিচ্ছেন। এমনকি বিভিন্ন পদ পদবিতেও যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে অংশগ্রহণ করায় কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আতিকুল আলম শাওনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি। এবার সেই বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আতিকুল আলমকে যুবদলের ব্যানারে গত শনিবার দুপুরে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
চান্দিনা পৌর অডিটোরিয়ামে এই ‘যুব সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গত ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত আহŸায়ক মো. আবুল খায়ের। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক মো. মনিরুল ইসলাম।
এ প্রসঙ্গে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, আতিকুল আলমসহ আমরা গত ১৭ বছর মাঠে ছিলাম। অনেকবার মামলা-হামলার শিকার হয়ে জেলেও গেছি। আমরাই চান্দিনায় বিএনপি ও যুবদল করি।
রেদোয়ান আহমেদের অনুসারী চান্দিনা উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা বলছেন, শাওনের সংবর্ধনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে উপজেলা যুবদল ভোটের সময় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেনি। দলের নির্দেশনা না মেনে এভাবে বহিষ্কৃত নেতাকে সংবর্ধনা দেওয়া সংগঠনবিরোধী কাজ। বিষয়টি নিয়ে দলের একাংশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত আহŸায়ক মো. আবুল খায়ের ছাড়াও এই আয়োজনের নেপথ্যে ছিলেন উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহŸায়ক শাহজাহান মুন্সী।
এদিকে গত ১৭ এপ্রিল কুমিল্লার বিবির বাজার উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। ওই অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আতিকুল আলম শাওন।
এদিকে ২০২২ সালের ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মেয়র পদে নির্বাচন করেন কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার। ওই বছরের মে মাসে তাঁকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ করতে দল থেকে বারণ করা হয়।
২০২৪ সালের ৯ মার্চ তিনি দ্বিতীয়বার কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেন। দুইটি নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করে হেরেছেন। কিন্তু আজীবন বহিষ্কারাদেশ নিয়েও নিজাম বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কায়সার প্রথমে তাঁর ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন মনোনয়ন না পাওয়ায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বহিষ্কারাদেশ নিয়ে দেখা করেন। ইয়াছিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার পর বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন। বহিষ্কারাদেশ নিয়েই তিনি ২০২২ সালের মে থেকে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন। গত মঙ্গলবার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সারকে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সভাপতি করা হয়। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়াকে বাদ দিয়ে তাঁকে (নিজাম) সভাপতি করায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হয়।
আমিরুজ্জামান ভূঁইয়ার অনুসারীদের ভাষ্য, দলের সিনিয়র নেতাকে বাদ দিয়ে বহিষ্কৃত কনিষ্ঠ নেতাকে একটি স্বনামধন্য স্কুলের সভাপতি করায় তাঁরা ক্ষুব্ধ।
অন্যদিকে মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের অনুসারীদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি যোগ্য ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে। যার সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের যোগাযোগ আছে। যিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন ফোরামের সঙ্গে আছেন।
জানা গেছে, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সভাপতি হিসেবে দুইজনের নাম আলোচনায় ছিল। তাঁরা হলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ভ‚ঁইয়া ও স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের (কায়সার) নাম। গত মঙ্গলবার কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের নাম সভাপতি হিসেবে অনুমোদন করে। আগামী ছয় মাসের জন্য নিজামকে এডহক কমিটির সভাপতি করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অন্তত তিনজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের শ্যালক। নিজামের পক্ষে তাঁর ভগ্নিপতির সুপারিশ ছিল। অন্যদিকে আমিরুজ্জামানের পক্ষে কুমিল্লাÑ৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশ ছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত গড়ায়। এরপর নিজামকে সভাপতি করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী মত দেন বলে জানা গেছে। এরই প্রেক্ষিতে নিজাম সভাপতি হন।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির দুই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দল বহিষ্কৃত নেতাদের মূল্যায়ন করবে নাকি বর্তমান নেতাদের মূল্যায়ন করবে- এটা কেন্দ্রের ব্যাপার। এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। সময় সব বলে দেবে।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আতিকুল আলম শাওন ও কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন (কায়সার) কে নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দল থেকে বহিষ্কার হলেও তাঁরা দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। বক্তব্য দিচ্ছেন। এমনকি বিভিন্ন পদ পদবিতেও যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে অংশগ্রহণ করায় কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আতিকুল আলম শাওনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি। এবার সেই বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আতিকুল আলমকে যুবদলের ব্যানারে গত শনিবার দুপুরে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
চান্দিনা পৌর অডিটোরিয়ামে এই ‘যুব সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গত ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত আহŸায়ক মো. আবুল খায়ের। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহŸায়ক মো. মনিরুল ইসলাম।
এ প্রসঙ্গে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, আতিকুল আলমসহ আমরা গত ১৭ বছর মাঠে ছিলাম। অনেকবার মামলা-হামলার শিকার হয়ে জেলেও গেছি। আমরাই চান্দিনায় বিএনপি ও যুবদল করি।
রেদোয়ান আহমেদের অনুসারী চান্দিনা উপজেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা বলছেন, শাওনের সংবর্ধনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে উপজেলা যুবদল ভোটের সময় ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেনি। দলের নির্দেশনা না মেনে এভাবে বহিষ্কৃত নেতাকে সংবর্ধনা দেওয়া সংগঠনবিরোধী কাজ। বিষয়টি নিয়ে দলের একাংশের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত আহŸায়ক মো. আবুল খায়ের ছাড়াও এই আয়োজনের নেপথ্যে ছিলেন উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহŸায়ক শাহজাহান মুন্সী।
এদিকে গত ১৭ এপ্রিল কুমিল্লার বিবির বাজার উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। ওই অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আতিকুল আলম শাওন।
এদিকে ২০২২ সালের ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মেয়র পদে নির্বাচন করেন কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার। ওই বছরের মে মাসে তাঁকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের যোগাযোগ করতে দল থেকে বারণ করা হয়।
২০২৪ সালের ৯ মার্চ তিনি দ্বিতীয়বার কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেন। দুইটি নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করে হেরেছেন। কিন্তু আজীবন বহিষ্কারাদেশ নিয়েও নিজাম বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কায়সার প্রথমে তাঁর ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন মনোনয়ন না পাওয়ায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বহিষ্কারাদেশ নিয়ে দেখা করেন। ইয়াছিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার পর বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন। বহিষ্কারাদেশ নিয়েই তিনি ২০২২ সালের মে থেকে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নেন। গত মঙ্গলবার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সারকে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সভাপতি করা হয়। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়াকে বাদ দিয়ে তাঁকে (নিজাম) সভাপতি করায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া হয়।
আমিরুজ্জামান ভূঁইয়ার অনুসারীদের ভাষ্য, দলের সিনিয়র নেতাকে বাদ দিয়ে বহিষ্কৃত কনিষ্ঠ নেতাকে একটি স্বনামধন্য স্কুলের সভাপতি করায় তাঁরা ক্ষুব্ধ।
অন্যদিকে মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের অনুসারীদের ভাষ্য, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি যোগ্য ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে। যার সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের যোগাযোগ আছে। যিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন ফোরামের সঙ্গে আছেন।
জানা গেছে, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের সভাপতি হিসেবে দুইজনের নাম আলোচনায় ছিল। তাঁরা হলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আমিরুজ্জামান ভ‚ঁইয়া ও স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের (কায়সার) নাম। গত মঙ্গলবার কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের নাম সভাপতি হিসেবে অনুমোদন করে। আগামী ছয় মাসের জন্য নিজামকে এডহক কমিটির সভাপতি করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অন্তত তিনজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের শ্যালক। নিজামের পক্ষে তাঁর ভগ্নিপতির সুপারিশ ছিল। অন্যদিকে আমিরুজ্জামানের পক্ষে কুমিল্লাÑ৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশ ছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত গড়ায়। এরপর নিজামকে সভাপতি করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী মত দেন বলে জানা গেছে। এরই প্রেক্ষিতে নিজাম সভাপতি হন।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির দুই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দল বহিষ্কৃত নেতাদের মূল্যায়ন করবে নাকি বর্তমান নেতাদের মূল্যায়ন করবে- এটা কেন্দ্রের ব্যাপার। এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না। সময় সব বলে দেবে।