নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জে বন্দরে ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন পোশাক শ্রমিক খোকন সরকার। তাঁর মৃত্যুর মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় স্ত্রী ফজিলত বেগমও মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শেষে স্বামীর কবরের পাশে ফজিলতকে দাফন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়। এর আগে একইদিন সকাল ১০টায় খোকন সরকারের দাফন সম্পন্ন হয়। স্বামীকে শেষবিদায় জানিয়ে দাফন সম্পন্ন করার পরপরই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর আসায় পুরো পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের মাতম।
নিহত আব্দুস সামাদ ওরফে খোকন সরকার (৫৪) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানীকান্দি গ্রামের প্রয়াত আব্দুল গফুরের দ্বিতীয় ছেলে। তাঁর স্ত্রী ফজিলত বেগম (৪০) পাশের গ্রাম উজানীজোড়ার নানু মিয়া খন্দকারের মেয়ে। এই দম্পতি নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকার জাহীন গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ইউসুফ সরকার (২০) ও খাদিজা আক্তার (১৮) নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে। ঘটনার দিন তারা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার মুরাদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় হঠাৎ গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে খোকন সরকার ও ফজিলত বেগম দুজনই গুরুতর দগ্ধ হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা যান খোকন সরকার। বুধবার সকালে তার লাশ দেবীদ্বারের গ্রামের বাড়িতে আনা হয় এবং সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
একই দিন বিকাল ৪টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজিলত বেগমেরও মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে দেবীদ্বারের দুই পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর খবরটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে উপজেলা প্রশাসন থাকবে। তাদের সরকারি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জে বন্দরে ভাড়া বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন পোশাক শ্রমিক খোকন সরকার। তাঁর মৃত্যুর মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় স্ত্রী ফজিলত বেগমও মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শেষে স্বামীর কবরের পাশে ফজিলতকে দাফন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়। এর আগে একইদিন সকাল ১০টায় খোকন সরকারের দাফন সম্পন্ন হয়। স্বামীকে শেষবিদায় জানিয়ে দাফন সম্পন্ন করার পরপরই স্ত্রীর মৃত্যুর খবর আসায় পুরো পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের মাতম।
নিহত আব্দুস সামাদ ওরফে খোকন সরকার (৫৪) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের উজানীকান্দি গ্রামের প্রয়াত আব্দুল গফুরের দ্বিতীয় ছেলে। তাঁর স্ত্রী ফজিলত বেগম (৪০) পাশের গ্রাম উজানীজোড়ার নানু মিয়া খন্দকারের মেয়ে। এই দম্পতি নারায়ণগঞ্জের মদনপুর এলাকার জাহীন গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ইউসুফ সরকার (২০) ও খাদিজা আক্তার (১৮) নামে তাদের দুই সন্তান রয়েছে। ঘটনার দিন তারা গ্রামের বাড়িতে ছিলেন বলে জানা গেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার মুরাদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় হঠাৎ গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে খোকন সরকার ও ফজিলত বেগম দুজনই গুরুতর দগ্ধ হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা যান খোকন সরকার। বুধবার সকালে তার লাশ দেবীদ্বারের গ্রামের বাড়িতে আনা হয় এবং সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
একই দিন বিকাল ৪টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফজিলত বেগমেরও মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, অগ্নিকাণ্ডে দেবীদ্বারের দুই পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর খবরটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে উপজেলা প্রশাসন থাকবে। তাদের সরকারি আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।