চান্দিনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি করে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। এসময় নারীদের শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। গতকাল বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের শালচর গ্রামের কুদ্দুস মেম্বারের বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল প্রবাসী কাদের ভূঁইয়া ও প্রবাসী কেফায়েত ভূঁইয়ার বাড়ির ছাদের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতদের উপস্থিতিতে ঘুম ভাঙে ঘরে থাকা গৃহকর্তা, তার স্ত্রী ও দুই পুত্রবধূর।
গৃহকর্ত্রী মাজেদা বেগম জানান, আমার দুই ছেলে প্রবাসে থাকে। ডাকাতদল আমার ঘরের ছাদের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। একে একে প্রায় ৩০টি তালা ভেঙে ঘরের সকল কক্ষ ও আলমারি খুলে ফেলে। প্রায় ১৫ জন ডাকাতের সকলের সাথে ধারালো অস্ত্র। ডাকাতরা আমাদের সকলের হাত, পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতন করে এবং ঘরে থাকা অন্তত ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৪ লক্ষাধিক টাকা, ৫টি এনড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ প্রয়োজনীয় অনেক মালামাল লুটে নেয়।
একই রাত ৩টায় ওই ইউনিয়নের খিরাসার মোহনপুর গ্রামের প্রবাসী এরশাদুল হকের বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটে। প্রবাসীর পিতা আবুল কালাম জানান, রাত ৩টায় দরজার টিন কেটে ঘরে ঢুকে অন্তত আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় যায়। ওই রাতে খিরাসার গ্রামের আব্দুল মালেকের পাকা ভবনের দরজা ভেঙে ডাকাতির চেষ্টা করে ডাকাতদল। এ সময় গৃহকর্তা টের পেয়ে ডাক-চিৎকার দিলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ওই দুই গ্রামে গত এক সপ্তাহে অন্তত আরও ৩টি চুরির ঘটনা ঘটে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, ডাকাতির ঘটনা শুনে আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় ডেকে এনে মামলা নিচ্ছি। তবে চুরির ঘটনার বিষয়টি আমার জানা নেই। তারপরও খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।

কুমিল্লার চান্দিনায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি করে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। এসময় নারীদের শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। গতকাল বুধবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের শালচর গ্রামের কুদ্দুস মেম্বারের বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। ডাকাতদল প্রবাসী কাদের ভূঁইয়া ও প্রবাসী কেফায়েত ভূঁইয়ার বাড়ির ছাদের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। ডাকাতদের উপস্থিতিতে ঘুম ভাঙে ঘরে থাকা গৃহকর্তা, তার স্ত্রী ও দুই পুত্রবধূর।
গৃহকর্ত্রী মাজেদা বেগম জানান, আমার দুই ছেলে প্রবাসে থাকে। ডাকাতদল আমার ঘরের ছাদের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। একে একে প্রায় ৩০টি তালা ভেঙে ঘরের সকল কক্ষ ও আলমারি খুলে ফেলে। প্রায় ১৫ জন ডাকাতের সকলের সাথে ধারালো অস্ত্র। ডাকাতরা আমাদের সকলের হাত, পা ও মুখ বেঁধে নির্যাতন করে এবং ঘরে থাকা অন্তত ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৪ লক্ষাধিক টাকা, ৫টি এনড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ প্রয়োজনীয় অনেক মালামাল লুটে নেয়।
একই রাত ৩টায় ওই ইউনিয়নের খিরাসার মোহনপুর গ্রামের প্রবাসী এরশাদুল হকের বাড়িতে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটে। প্রবাসীর পিতা আবুল কালাম জানান, রাত ৩টায় দরজার টিন কেটে ঘরে ঢুকে অন্তত আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় যায়। ওই রাতে খিরাসার গ্রামের আব্দুল মালেকের পাকা ভবনের দরজা ভেঙে ডাকাতির চেষ্টা করে ডাকাতদল। এ সময় গৃহকর্তা টের পেয়ে ডাক-চিৎকার দিলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, ওই দুই গ্রামে গত এক সপ্তাহে অন্তত আরও ৩টি চুরির ঘটনা ঘটে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, ডাকাতির ঘটনা শুনে আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় ডেকে এনে মামলা নিচ্ছি। তবে চুরির ঘটনার বিষয়টি আমার জানা নেই। তারপরও খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিব।