কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পরিদর্শন
গাজীউল হক সোহাগ

জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড এসএসসি পরীক্ষার ঈশ্বর পাঠশালা কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষ স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরাতন ভবনের নিচতলার ১০১-১০৪ নং কক্ষের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের আগামী পরীক্ষাগুলো নতুন ভবনের ১০১, ১০২, ৫০৩, ৬০১, ৬০২ ও ৬০৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল মঙ্গলবার ভারী বর্ষণের কারণে ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চবিদ্যালয়ের নিচতলার টিনশেড ভবনের কক্ষে প্রায় হাঁটু সমান পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তখন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা জুতা খুলে বসার টেবিলের পাশে রাখে। এরপর তারা পানিতে পা রেখে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দেয়। এ সময়ে কক্ষ পরিদর্শক (সহকারী শিক্ষিকা) চেয়ারের উপরে জুতা রেখে তার উপর বসে থাকেন। গণমাধ্যমে ওই ছবি প্রকাশিত হওয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নজর কাড়ে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আজ বেলা ১১টায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর চেয়ারম্যান ঈশ্বর পাঠশালায় যান। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সামনেই ঈশ্বর পাঠশালা কেন্দ্র। উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে জানা গেছে, ঈশ্বর পাঠশালা বাংলাদেশের কুমিল্লা মহানগরীর রামমালায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯১৪ সালে লোকহিতৈষী মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এদিকে আজ সকালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এরপর কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামছুল ইসলাম ঈশ্বর পাঠশালায় যান। সেখানে পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এক যৌথ সভা হয়। এতে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থানান্তরের সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা ও কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাফিজ।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৮/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল ১০.৩০টা থেকে দুপুর ১২.০০টা পর্যন্ত কুমিল্লায় প্রচন্ড ঝড় ও ভারী বর্ষণ হয়। অতি মাত্রায় বর্ষণের ফলে কুমিল্লা নগরীর বেশিরভাগ স্থান পানিতে ডুবে যায় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সিটি কর্পোরেশনের জরুরী পদক্ষেপের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা সন্ধ্যা নাগাদ অপসারিত হয়। গতকাল এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এর ইংরেজি ২য় পত্র (বিষয় কোড: ১০৮) এর পরীক্ষা ছিল। কুমিল্লা-১ (কেন্দ্র কোড: ১০০) এর উপকেন্দ্র কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চবিদ্যালয়ের নিচতলার ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪ নং কক্ষে আনুমানিক দুপুর ১২.০০ টার সময় পানি প্রবেশ করে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তাৎক্ষনাৎ বোর্ডকে অবহিত করেন নি। বিষয়টি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ অবহিত হওয়ার পর উপকেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। উক্ত উপ কেন্দ্রটিতে বিগত ৩০ (ত্রিশ) বৎসর যাবৎ এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে, কখনো এ কেন্দ্রে পানি উঠেনি। অদ্য ২৯/০৪/২০২৬ তারিখ কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও শিক্ষা প্রকৌশল, কুমিল্লা আলাদা আলাদাভাবে কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সভাপতিত্বে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে কুমিল্লার সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, কুমিল্লার শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের নীচতলার ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪ নং কক্ষের পরীক্ষার্থীদের নতুন ভবনের ১০১, ১০২, ৫০৩, ৬০১, ৬০২ ও ৬০৩ নং কক্ষে স্থানান্তর করে বাকী বিষয়ের পরীক্ষা সমূহ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’

জানতে চাইলে বোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে একই কেন্দ্রের অন্য ভবনে চারটি কক্ষের পরীক্ষার্থীদের বাকি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে।

জলাবদ্ধতার কারণে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড এসএসসি পরীক্ষার ঈশ্বর পাঠশালা কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষ স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরাতন ভবনের নিচতলার ১০১-১০৪ নং কক্ষের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের আগামী পরীক্ষাগুলো নতুন ভবনের ১০১, ১০২, ৫০৩, ৬০১, ৬০২ ও ৬০৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গতকাল মঙ্গলবার ভারী বর্ষণের কারণে ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চবিদ্যালয়ের নিচতলার টিনশেড ভবনের কক্ষে প্রায় হাঁটু সমান পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তখন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা জুতা খুলে বসার টেবিলের পাশে রাখে। এরপর তারা পানিতে পা রেখে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা দেয়। এ সময়ে কক্ষ পরিদর্শক (সহকারী শিক্ষিকা) চেয়ারের উপরে জুতা রেখে তার উপর বসে থাকেন। গণমাধ্যমে ওই ছবি প্রকাশিত হওয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নজর কাড়ে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আজ বেলা ১১টায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডর চেয়ারম্যান ঈশ্বর পাঠশালায় যান। কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সামনেই ঈশ্বর পাঠশালা কেন্দ্র। উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে জানা গেছে, ঈশ্বর পাঠশালা বাংলাদেশের কুমিল্লা মহানগরীর রামমালায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯১৪ সালে লোকহিতৈষী মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এদিকে আজ সকালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু সায়েম ভূঁঞা ওই বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এরপর কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামছুল ইসলাম ঈশ্বর পাঠশালায় যান। সেখানে পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এক যৌথ সভা হয়। এতে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থানান্তরের সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা ও কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাফিজ।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৮/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল ১০.৩০টা থেকে দুপুর ১২.০০টা পর্যন্ত কুমিল্লায় প্রচন্ড ঝড় ও ভারী বর্ষণ হয়। অতি মাত্রায় বর্ষণের ফলে কুমিল্লা নগরীর বেশিরভাগ স্থান পানিতে ডুবে যায় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সিটি কর্পোরেশনের জরুরী পদক্ষেপের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা সন্ধ্যা নাগাদ অপসারিত হয়। গতকাল এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ এর ইংরেজি ২য় পত্র (বিষয় কোড: ১০৮) এর পরীক্ষা ছিল। কুমিল্লা-১ (কেন্দ্র কোড: ১০০) এর উপকেন্দ্র কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা উচ্চবিদ্যালয়ের নিচতলার ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪ নং কক্ষে আনুমানিক দুপুর ১২.০০ টার সময় পানি প্রবেশ করে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তাৎক্ষনাৎ বোর্ডকে অবহিত করেন নি। বিষয়টি কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ অবহিত হওয়ার পর উপকেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। উক্ত উপ কেন্দ্রটিতে বিগত ৩০ (ত্রিশ) বৎসর যাবৎ এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে, কখনো এ কেন্দ্রে পানি উঠেনি। অদ্য ২৯/০৪/২০২৬ তারিখ কুমিল্লা জেলা প্রশাসন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ও শিক্ষা প্রকৌশল, কুমিল্লা আলাদা আলাদাভাবে কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সভাপতিত্বে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে কুমিল্লার সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, কুমিল্লার শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের নীচতলার ১০১, ১০২, ১০৩, ১০৪ নং কক্ষের পরীক্ষার্থীদের নতুন ভবনের ১০১, ১০২, ৫০৩, ৬০১, ৬০২ ও ৬০৩ নং কক্ষে স্থানান্তর করে বাকী বিষয়ের পরীক্ষা সমূহ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’

জানতে চাইলে বোর্ডের উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) কবির উদ্দিন আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে একই কেন্দ্রের অন্য ভবনে চারটি কক্ষের পরীক্ষার্থীদের বাকি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে।