নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও মোবাইল ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর এবার অজ্ঞাত নম্বর থেকে একের পর এক ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, বিভিন্ন হুমকি ও অশোভন আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অপ্রতিমের বাবা-মা।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে অপ্রতিমের বাবা কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে এসব ঘটনায় নিরাপত্তা শঙ্কায় শুক্রবার থেকে মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন অপ্রতিমের মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগম।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, প্রথমে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে অপ্রতিম ও আমাদের জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
একই সঙ্গে আমাদের দুজনের মোবাইল নম্বরে অজ্ঞাত কয়েকটি নম্বর থেকে ফোন করে কে বা কারা গালাগাল, হুমকি ও অশোভন আচরণ করছে। এতে আমরা দুইজনই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় শুক্রবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছি।
অপ্রতিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে একটি নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারকে কল দেওয়া হয়।
কল রিসিভ করার পর অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান তিনি। পরিচয় দেওয়ার পর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন ওই ব্যক্তি। পরবর্তী সময়ে কল কেটে দেওয়ার পর অন্য আরো কয়েকটি নম্বর থেকে একাধিকবার কল দিতে থাকেন ওই ব্যক্তি। পরে নম্বরগুলো ব্লক করে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বলেন, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন।বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। সে গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও মোবাইল ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর এবার অজ্ঞাত নম্বর থেকে একের পর এক ফোন করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, বিভিন্ন হুমকি ও অশোভন আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অপ্রতিমের বাবা-মা।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে অপ্রতিমের বাবা কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে এসব ঘটনায় নিরাপত্তা শঙ্কায় শুক্রবার থেকে মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন অপ্রতিমের মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগম।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, প্রথমে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে অপ্রতিম ও আমাদের জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
একই সঙ্গে আমাদের দুজনের মোবাইল নম্বরে অজ্ঞাত কয়েকটি নম্বর থেকে ফোন করে কে বা কারা গালাগাল, হুমকি ও অশোভন আচরণ করছে। এতে আমরা দুইজনই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ঘটনায় শুক্রবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছি।
অপ্রতিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে একটি নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারকে কল দেওয়া হয়।
কল রিসিভ করার পর অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান তিনি। পরিচয় দেওয়ার পর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন ওই ব্যক্তি। পরবর্তী সময়ে কল কেটে দেওয়ার পর অন্য আরো কয়েকটি নম্বর থেকে একাধিকবার কল দিতে থাকেন ওই ব্যক্তি। পরে নম্বরগুলো ব্লক করে দেওয়া হয়।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বলেন, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন।বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। সে গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।