নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার সন্দেহভাজন আসামি হাফিজুর রহমান কুমিল্লার আদালতে নিয়মিত হাজির হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন।
তনু হত্যা মামলার নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে তাকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। তবে আদালতের হাজতখানা থেকে তাকে পুনরায় কারাগারে নেওয়া হয়।
কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয় তাকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমাÐ আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমাÐ মঞ্জুর করেন। গত ২৫ এপ্রিল রিমান্ড শুনানি শেষে তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সোমবার নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। পরদিন সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন তনুর বাবা। শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি।
প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তদন্তে তনুর মরদেহের কাপড়ে পাওয়া যায় তিন ব্যক্তির ডিএনএ। দীর্ঘদিন ধরে সেই ডিএনএ ম্যাচ করা হয়নি। চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন আদালত। পাশাপাশি সেই তিন ব্যক্তির ডিএনএ ম্যাচ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। তাদেরই একজন সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার সন্দেহভাজন আসামি হাফিজুর রহমান কুমিল্লার আদালতে নিয়মিত হাজির হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন।
তনু হত্যা মামলার নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে তাকে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। তবে আদালতের হাজতখানা থেকে তাকে পুনরায় কারাগারে নেওয়া হয়।
কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে চলতি বছরের ২২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয় তাকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমাÐ আবেদন করলে আদালত তিনদিনের রিমাÐ মঞ্জুর করেন। গত ২৫ এপ্রিল রিমান্ড শুনানি শেষে তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সোমবার নিয়মিত হাজিরার অংশ হিসেবে তাকে আদালতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকার পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। পরদিন সেনানিবাসের পাওয়ার হাউস সংলগ্ন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন তনুর বাবা। শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি।
প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম। তদন্তে তনুর মরদেহের কাপড়ে পাওয়া যায় তিন ব্যক্তির ডিএনএ। দীর্ঘদিন ধরে সেই ডিএনএ ম্যাচ করা হয়নি। চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন আদালত। পাশাপাশি সেই তিন ব্যক্তির ডিএনএ ম্যাচ করার নির্দেশও দেওয়া হয়। তাদেরই একজন সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান।