ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

হলুদ রঙের ঝুলন্ত ফুল সোনালু। গ্রীষ্মে গাছজুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে এই ফুল ফোটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন মহাসড়কের বিভাজকে কুমিল্লা জেলার ১০০ কিলোমিটারের বিভিন্ন অংশে ফুটে আছে এই ফুল। পথে যেতে যেতে সারি সারি গাছের সোনালু ফুলের দৃষ্টিনন্দন রূপ দারুণভাবে মোহিত করে যাত্রী ও নিসর্গপ্রেমীদের। দেখে মনে হচ্ছে, সোনালু ফুলগুলো তোরণ বানিয়ে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছে!
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর থেকে দাউদকান্দি পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ফুটে আছে সোলানু ফুল। দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর, জিংলাতলী ও গৌরিপুর, চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর, মাধাইয়া, কেরণখাল, নাওতলা, চান্দিনা, আদর্শ সদর উপজেলার জাগুরজুলি, কোটবাড়ি নন্দনপুর এলাকায় বেশি সংখ্যক গাছে ফুল ফুটে আছে। সদর দক্ষিণ উপজেলা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন অংশেও চোখে পড়ে এই ফুল। ব্যস্ততম মহাসড়কের পাশে যানবাহন থামিয়ে সোনালু ফুলের ছবি তুলতে দেখা যায় অনেককে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামসুল আরেফিন বলেন, সোনালু ফুল পত্র ঝরা উদ্ভিদ। মাঝারি বৃক্ষ। উচ্চতা ১০ থেকে ১৫ ফুট। ফুলে পাপড়ি পাঁচটি। পুংকেশর ১০টি, দীর্ঘ মঞ্জুরি দন্ড আছে। বসন্তে এটি পত্রশূন্য থাকে। গ্রীষ্মকালের বৈশাখে নতুন পাতা গজায়। এর পাতা, ছাল, ফলের মজ্জা ও ফল ব্যবহার করা যায়। তবে প্রকৃতিতে শোভাবর্ধনে এর জুড়ি নেই। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও বাংলাদেশে এর উৎপত্তি। শজনে সবজির মতো এই গাছের ফল খাওয়া যায়। সোনালুর ইংরেজি নাম Golden shower। এর বৈজ্ঞানিক নাম Cassia Fistula। সোনালু গাছের পাতায় ও বাকলে ঔষধি গুণাগুণ আছে। এটি ডায়রিয়া ও বহুমূত্র রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কুমিল্লার উপদেষ্টা ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত পল্লীর বিভিন্ন বাগানে এই ফুল দেখা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রামের বাগানে আগে এটি বেশি হতো। এখন উঁচু এলাকার মাটিতে এটি হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটে থাকা সোনালু ফুলগুলো মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সোনালু ফুলের রূপ দেখে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
গতকাল দুপুরে বার্ডের ক্যাম্পাসেও সোনালু ফুল দেখা গেছে। লালমাই পাহাড়েও হলুদ ওই ফুল ফুটে আছে।

হলুদ রঙের ঝুলন্ত ফুল সোনালু। গ্রীষ্মে গাছজুড়ে ঝুলন্ত মঞ্জুরিতে এই ফুল ফোটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন মহাসড়কের বিভাজকে কুমিল্লা জেলার ১০০ কিলোমিটারের বিভিন্ন অংশে ফুটে আছে এই ফুল। পথে যেতে যেতে সারি সারি গাছের সোনালু ফুলের দৃষ্টিনন্দন রূপ দারুণভাবে মোহিত করে যাত্রী ও নিসর্গপ্রেমীদের। দেখে মনে হচ্ছে, সোনালু ফুলগুলো তোরণ বানিয়ে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছে!
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর থেকে দাউদকান্দি পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ফুটে আছে সোলানু ফুল। দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর, জিংলাতলী ও গৌরিপুর, চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর, মাধাইয়া, কেরণখাল, নাওতলা, চান্দিনা, আদর্শ সদর উপজেলার জাগুরজুলি, কোটবাড়ি নন্দনপুর এলাকায় বেশি সংখ্যক গাছে ফুল ফুটে আছে। সদর দক্ষিণ উপজেলা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন অংশেও চোখে পড়ে এই ফুল। ব্যস্ততম মহাসড়কের পাশে যানবাহন থামিয়ে সোনালু ফুলের ছবি তুলতে দেখা যায় অনেককে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামসুল আরেফিন বলেন, সোনালু ফুল পত্র ঝরা উদ্ভিদ। মাঝারি বৃক্ষ। উচ্চতা ১০ থেকে ১৫ ফুট। ফুলে পাপড়ি পাঁচটি। পুংকেশর ১০টি, দীর্ঘ মঞ্জুরি দন্ড আছে। বসন্তে এটি পত্রশূন্য থাকে। গ্রীষ্মকালের বৈশাখে নতুন পাতা গজায়। এর পাতা, ছাল, ফলের মজ্জা ও ফল ব্যবহার করা যায়। তবে প্রকৃতিতে শোভাবর্ধনে এর জুড়ি নেই। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও বাংলাদেশে এর উৎপত্তি। শজনে সবজির মতো এই গাছের ফল খাওয়া যায়। সোনালুর ইংরেজি নাম Golden shower। এর বৈজ্ঞানিক নাম Cassia Fistula। সোনালু গাছের পাতায় ও বাকলে ঔষধি গুণাগুণ আছে। এটি ডায়রিয়া ও বহুমূত্র রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কুমিল্লার উপদেষ্টা ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত পল্লীর বিভিন্ন বাগানে এই ফুল দেখা যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রামের বাগানে আগে এটি বেশি হতো। এখন উঁচু এলাকার মাটিতে এটি হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সড়ক বিভাজকে ফুটে থাকা সোনালু ফুলগুলো মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সোনালু ফুলের রূপ দেখে গন্তব্যে যাচ্ছেন।
গতকাল দুপুরে বার্ডের ক্যাম্পাসেও সোনালু ফুল দেখা গেছে। লালমাই পাহাড়েও হলুদ ওই ফুল ফুটে আছে।