• কুমিল্লা সিটি করপোরেশন
  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • আদর্শ সদর
  • বরুড়া
  • লাকসাম
  • দাউদকান্দি
  • আরও
    • চৌদ্দগ্রাম
    • সদর দক্ষিণ
    • নাঙ্গলকোট
    • বুড়িচং
    • ব্রাহ্মণপাড়া
    • মনোহরগঞ্জ
    • লালমাই
    • চান্দিনা
    • মুরাদনগর
    • দেবীদ্বার
    • হোমনা
    • মেঘনা
    • তিতাস
  • সর্বশেষ
  • রাজনীতি
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • মতামত
  • খেলা
  • বিনোদন
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • ইপেপার
  • ইপেপার
facebooktwittertiktokpinterestyoutubelinkedininstagramgoogle
স্বত্ব: ©️ আমার শহর

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. গাজীউল হক ভূঁইয়া ( সোহাগ)।

নাহার প্লাজা, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০

ই-মেইল: [email protected]

ফোন: 01716197760

> কুমিল্লা জেলা

তনু হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর পর গ্রেপ্তার হলেন সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০০
আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০৭
logo

তনু হত্যাকাণ্ডের ১০ বছর পর গ্রেপ্তার হলেন সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ০০
Photo

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমান (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাঁকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে তনুর বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এদিকে আজ বুধবার বিকেলে হাফিজুরকে কুমিল্লার ১নং আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তনুর ভাই রুবেল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তনু হত্যাকাণ্ডের দশ বছর পর প্রথম কোন আসামি গ্রেপ্তার হলো।

জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার হাফিজুরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে শুনানির সময় তনুর বাবা মামলার বাদী ইয়ার হোসেন, তনুর মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই রুবেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক (ঢাকা) তরিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তনুর মা বিভিন্ন সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করি, আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আমরা তাঁকে নিয়ে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখনো ম্যাচিং করা হয়নি।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, প্রায় ১১ বছর পর একজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আমি আসামি গ্রেপ্তারে আমি সন্তুষ্ট। আমি চাইব তাঁর যেন উপযুক্ত সাজা হয়, ফাঁসি নিশ্চিত হয়। দেশবাসী যেন বলতে পারে তনু হত্যার বিচার হইছে।

তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, দেশের মানুষ জানতে চায়, তনু হত্যার বিচার হবে কি না। এবার বলতে পারব, আসামি গ্রেপ্তার হইছে। আমি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আশা করি, বিচার হবে।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ ম্যাচিংয়ের করার নির্দেশ দেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে হাজির হলে তাকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেওয়ার পরই সোমবার (৬ এপ্রিল) ওই তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের বিষয়ে আদালতে লিখিত প্রতিবেদন দেন। এতে বিচারক সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ ম্যাচ করার নির্দেশ দেন। ওইদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পিবিআইয়ের ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছেন, সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করতে। ওই তিনজন এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেছেন। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছেন আদালত। সর্বশেষ গত বছরের ৭ এপ্রিল বিকেলে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের তদন্ত টিম মামলার বাদী তনুর বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেনের সঙ্গে তার অফিসে গিয়ে কথা বলেন। পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম এ মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। খেঁাজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা—পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

Thumbnail image

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমান (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাঁকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। তাঁকে তনুর বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এদিকে আজ বুধবার বিকেলে হাফিজুরকে কুমিল্লার ১নং আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর বিচারক তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তনুর ভাই রুবেল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তনু হত্যাকাণ্ডের দশ বছর পর প্রথম কোন আসামি গ্রেপ্তার হলো।

জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার হাফিজুরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে শুনানির সময় তনুর বাবা মামলার বাদী ইয়ার হোসেন, তনুর মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই রুবেল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক (ঢাকা) তরিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তনুর মা বিভিন্ন সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করি, আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আমরা তাঁকে নিয়ে ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখনো ম্যাচিং করা হয়নি।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, প্রায় ১১ বছর পর একজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আমি আসামি গ্রেপ্তারে আমি সন্তুষ্ট। আমি চাইব তাঁর যেন উপযুক্ত সাজা হয়, ফাঁসি নিশ্চিত হয়। দেশবাসী যেন বলতে পারে তনু হত্যার বিচার হইছে।

তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, দেশের মানুষ জানতে চায়, তনু হত্যার বিচার হবে কি না। এবার বলতে পারব, আসামি গ্রেপ্তার হইছে। আমি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আশা করি, বিচার হবে।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ ম্যাচিংয়ের করার নির্দেশ দেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে হাজির হলে তাকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেওয়ার পরই সোমবার (৬ এপ্রিল) ওই তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার তদন্তের বিষয়ে আদালতে লিখিত প্রতিবেদন দেন। এতে বিচারক সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ ম্যাচ করার নির্দেশ দেন। ওইদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পিবিআইয়ের ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলো পরে আর ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছেন, সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করতে। ওই তিনজন এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে গেছেন। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছেন আদালত। সর্বশেষ গত বছরের ৭ এপ্রিল বিকেলে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের তদন্ত টিম মামলার বাদী তনুর বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেনের সঙ্গে তার অফিসে গিয়ে কথা বলেন। পিবিআই পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম এ মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। খেঁাজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। শুরুতে থানা—পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

বিষয়:

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১

চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানচাপায় যুবক নিহত

২

দেবীদ্বারে ক্লাস চলাকালে খসে পড়ল ফ্যান-পলেস্তারা

৩

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

৪

ব্রাহ্মণপাড়ায় অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ

৫

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দাউদকান্দি পৌরসভার উদ্যোগে র‌্যালি

সম্পর্কিত

চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানচাপায় যুবক নিহত

চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানচাপায় যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে
দেবীদ্বারে ক্লাস চলাকালে খসে পড়ল ফ্যান-পলেস্তারা

দেবীদ্বারে ক্লাস চলাকালে খসে পড়ল ফ্যান-পলেস্তারা

২১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬০০ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

২১ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণপাড়ায় অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ

ব্রাহ্মণপাড়ায় অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ

২১ ঘণ্টা আগে