দেবীদ্বার প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষতি হয়নি। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ৭১ নম্বর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে ১৯৬৮ সালে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে আছে। নতুন ভবনের দাবিতে বারবার আবেদন করা হলেও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় অভিভাবক জুয়েল রানা বলেন, হঠাৎ করে শ্রেণিকক্ষের ছাদের একটি অংশ বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ভেঙে পড়ে। সে সময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কক্ষে ছিলেন। তবে ভাগ্যক্রমে কেউ হতাহত হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ আক্তার বলেন, প্রথম ক্লাস শেষে এ ঘটনা ঘটে। যে বেঞ্চের ওপর পলেস্তারা পড়ে, সেখানে কোনো শিক্ষার্থী ছিল না।
শাহনাজ আক্তার জানান, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে গত সপ্তাহে লিখিত আবেদন করেছি।
এর আগেও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে ডিও লেটার দিয়েছে, কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
দেবীদ্বার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার ওই স্কুল পরিদর্শন করেছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে ক্লাস নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।
তবে এতে কেউ আহত হয়নি।
মিনহাজ উদ্দিন আরো বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদাপত্রে স্কুলটির নাম এক নম্বরে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। দ্রæত ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।

কুমিল্লার দেবীদ্বারে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থীর ক্ষতি হয়নি। আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার ৭১ নম্বর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে ১৯৬৮ সালে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে আছে। নতুন ভবনের দাবিতে বারবার আবেদন করা হলেও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় অভিভাবক জুয়েল রানা বলেন, হঠাৎ করে শ্রেণিকক্ষের ছাদের একটি অংশ বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ভেঙে পড়ে। সে সময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা কক্ষে ছিলেন। তবে ভাগ্যক্রমে কেউ হতাহত হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ আক্তার বলেন, প্রথম ক্লাস শেষে এ ঘটনা ঘটে। যে বেঞ্চের ওপর পলেস্তারা পড়ে, সেখানে কোনো শিক্ষার্থী ছিল না।
শাহনাজ আক্তার জানান, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে গত সপ্তাহে লিখিত আবেদন করেছি।
এর আগেও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে ডিও লেটার দিয়েছে, কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
দেবীদ্বার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার ওই স্কুল পরিদর্শন করেছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে ক্লাস নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।
তবে এতে কেউ আহত হয়নি।
মিনহাজ উদ্দিন আরো বলেন, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য চাহিদাপত্রে স্কুলটির নাম এক নম্বরে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। দ্রæত ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে।