ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের জ্বালানি তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৬০ টাকা বেশি দামে তেল বিক্রির পাশাপাশি ক্রেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার উপজেলার বড়ধুশিয়া এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স খোরশেদ আলম’ নামের একটি ডিলার দিনভর প্রতি লিটার জ্বালানি তেল ২০০ টাকায় বিক্রি করে। অথচ সরকারি নির্ধারিত মূল্য এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
তেল কিনতে আসা কয়েকজন ভোক্তা জানান, সকাল থেকেই ডিলারটি অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করছিল। কেউ এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ডিলার মালিক খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফুল ইসলাম জন ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদকারীদের তেল না দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রতি ৫ লিটার তেলের জন্য তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত দামের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে উল্টো খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জন বলেন, আমি বেশি দামে জ্বালানি তেল কিনেছি, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। যার ইচ্ছা নেবে, না হলে নেবে না।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, আমি বিষয়টি এইমাত্র শুনেছি। ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) পাঠানো হচ্ছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের জ্বালানি তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৬০ টাকা বেশি দামে তেল বিক্রির পাশাপাশি ক্রেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বুধবার উপজেলার বড়ধুশিয়া এলাকায় অবস্থিত ‘মেসার্স খোরশেদ আলম’ নামের একটি ডিলার দিনভর প্রতি লিটার জ্বালানি তেল ২০০ টাকায় বিক্রি করে। অথচ সরকারি নির্ধারিত মূল্য এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
তেল কিনতে আসা কয়েকজন ভোক্তা জানান, সকাল থেকেই ডিলারটি অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করছিল। কেউ এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ডিলার মালিক খোরশেদ আলমের ছেলে আরিফুল ইসলাম জন ক্রেতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদকারীদের তেল না দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রতি ৫ লিটার তেলের জন্য তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত দামের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে উল্টো খারাপ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জন বলেন, আমি বেশি দামে জ্বালানি তেল কিনেছি, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। যার ইচ্ছা নেবে, না হলে নেবে না।
এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, আমি বিষয়টি এইমাত্র শুনেছি। ঘটনাস্থলে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) পাঠানো হচ্ছে।