সোহানা শারমিন

সময়টা ছিল ২০২৪ সালের আগস্ট। তখন আতকা সমতট অঞ্চল জুড়ে বন্যা দেখা দেয়। কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ এলাকার বাসিন্দা মেজর এ কে এম বদরুল আমিন সরকার উদ্যোগ নিলেন বন্যার্তদের জন্য কিছু করবেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দেন সমাজের কিছু বিবেকবান মানুষ। এতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যুক্ত হন জেন-জিরা। সবাই মিলে বুড়িচংয়ের ষোলনল ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ নিয়ে যান। সঙ্গে বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন ও গরম খিচুড়ি। এভাবে বন্যার সময় তাঁরা একটি প্ল্যাটফরমে যুক্ত হন। এ দলে ৫০-ঊর্ধ্ব থেকে শুরু করে ১৫ বছরের কিশোর-কিশোরীরাও আছে। মেজর বদরুল ওদের দলনেতা। তিনি নিজে সেইভ আর্থ সংগঠনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কাজ করেন। এ সংগঠন এ পর্যন্ত ১০ হাজার গাছ রোপন করে। তলে তলে গরিব মানুষদের সহযোগিতা করে।

আজ শনিবার মধ্য দুপুর পেরিয়ে বিকেলের শুরুতে শিল্পকলা একাডেমিতে জড়ো হন শত শত অভিভাবক ও তাঁদের সন্তানেরা। এদের মধ্যে ৭০০ জন ১০০ টাকা করে ফি দিয়ে অংশ নেন। শিল্পকলা একাডেমির প্রবেশপথে বেলুনের ফটক পেরিয়ে হাতের ডানেই চিত্রকর্ম স্টল। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তন ও কুমিল্লার ঐতিহ্যময় স্থাপনা নিয়ে ৪৫টি চিত্রকর্ম তুলে ধরা হয়। এরপর বিচারকেরা সেরা তিনটি চিত্রকর্ম পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেন। কিন্তু ক্রেস্ট পেয়েছেন ৪৫ জনই ।

এদিকে অনুষ্ঠানের শুরুতে ধনধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদেরই বসুন্ধরা গানের সঙ্গে নাচ হয়। এরপর কয়েকটি গানের সঙ্গে খুদে শিক্ষার্থীরা নাচ করেন। চলে র্যাম্পে হাঁটা ও ফ্যাশন শোও।
কুমিল্লার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেইভ আর্থ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অল্টার ক্যানভাস অনুষ্ঠান করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু।
সভাপতিত্ব করেন সেইভ আর্থের উপদেষ্টা মেজর (অব.) এ কে এম বদরুল আমিন সরকার।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রিহ্যাবের সদস্য মো. ফারুক আহমেদ, ফরিদ গ্রুপের পরিচালক ও কুমিল্লা ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জহিরুল হক জেন্টু, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া খোন্দকার, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার ও আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।

সেইভ আর্থের উপদেষ্টা মেজর (অব.) এ কে এম বদরুল আমিন সরকার বলেন, তরুণ ও কিশোরদের নিয়ে আমাদের এ আয়োজন। গত কয়েকমাস যাবত আমরা রিহার্সেল দিয়েছি। নিজেরা ছোট ছোট সভা করে অনুষ্ঠানটি সাজিয়েছি। আমরা চাই সমাজ মাদকমুক্ত ও কিশোরগ্যাং মুক্ত হোক। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার টেবিলে থাকুক। অবসরে সামাজিক কাজে যুক্ত হোক। এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার জন্য কাজ করুক। তরুণদের অনেক স্বপ্ন, ওদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে একজন ভালো দলনেতা দরকার। যারা ছোট ছোট উদ্যোগ নিয়ে বড় কিছু করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়বে।

প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বিবেকের মাধ্যমে আমরা কাজ করেছি। আমি বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। বিবেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ওই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করেছি। যেকোনো কাজ দলগত ভাবে করলে সেটিতে সাফল্য আসে। সবার আগে বাংলাদেশ এ স্লোগান নিয়ে এগোতে হবে।

সময়টা ছিল ২০২৪ সালের আগস্ট। তখন আতকা সমতট অঞ্চল জুড়ে বন্যা দেখা দেয়। কুমিল্লা নগরের টমছমব্রিজ এলাকার বাসিন্দা মেজর এ কে এম বদরুল আমিন সরকার উদ্যোগ নিলেন বন্যার্তদের জন্য কিছু করবেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দেন সমাজের কিছু বিবেকবান মানুষ। এতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে যুক্ত হন জেন-জিরা। সবাই মিলে বুড়িচংয়ের ষোলনল ইউনিয়ন, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ নিয়ে যান। সঙ্গে বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন ও গরম খিচুড়ি। এভাবে বন্যার সময় তাঁরা একটি প্ল্যাটফরমে যুক্ত হন। এ দলে ৫০-ঊর্ধ্ব থেকে শুরু করে ১৫ বছরের কিশোর-কিশোরীরাও আছে। মেজর বদরুল ওদের দলনেতা। তিনি নিজে সেইভ আর্থ সংগঠনের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কাজ করেন। এ সংগঠন এ পর্যন্ত ১০ হাজার গাছ রোপন করে। তলে তলে গরিব মানুষদের সহযোগিতা করে।

আজ শনিবার মধ্য দুপুর পেরিয়ে বিকেলের শুরুতে শিল্পকলা একাডেমিতে জড়ো হন শত শত অভিভাবক ও তাঁদের সন্তানেরা। এদের মধ্যে ৭০০ জন ১০০ টাকা করে ফি দিয়ে অংশ নেন। শিল্পকলা একাডেমির প্রবেশপথে বেলুনের ফটক পেরিয়ে হাতের ডানেই চিত্রকর্ম স্টল। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তন ও কুমিল্লার ঐতিহ্যময় স্থাপনা নিয়ে ৪৫টি চিত্রকর্ম তুলে ধরা হয়। এরপর বিচারকেরা সেরা তিনটি চিত্রকর্ম পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেন। কিন্তু ক্রেস্ট পেয়েছেন ৪৫ জনই ।

এদিকে অনুষ্ঠানের শুরুতে ধনধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদেরই বসুন্ধরা গানের সঙ্গে নাচ হয়। এরপর কয়েকটি গানের সঙ্গে খুদে শিক্ষার্থীরা নাচ করেন। চলে র্যাম্পে হাঁটা ও ফ্যাশন শোও।
কুমিল্লার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেইভ আর্থ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অল্টার ক্যানভাস অনুষ্ঠান করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু।
সভাপতিত্ব করেন সেইভ আর্থের উপদেষ্টা মেজর (অব.) এ কে এম বদরুল আমিন সরকার।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রিহ্যাবের সদস্য মো. ফারুক আহমেদ, ফরিদ গ্রুপের পরিচালক ও কুমিল্লা ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. জহিরুল হক জেন্টু, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া খোন্দকার, কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সার ও আমার শহর সম্পাদক গাজীউল হক সোহাগ।

সেইভ আর্থের উপদেষ্টা মেজর (অব.) এ কে এম বদরুল আমিন সরকার বলেন, তরুণ ও কিশোরদের নিয়ে আমাদের এ আয়োজন। গত কয়েকমাস যাবত আমরা রিহার্সেল দিয়েছি। নিজেরা ছোট ছোট সভা করে অনুষ্ঠানটি সাজিয়েছি। আমরা চাই সমাজ মাদকমুক্ত ও কিশোরগ্যাং মুক্ত হোক। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার টেবিলে থাকুক। অবসরে সামাজিক কাজে যুক্ত হোক। এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার জন্য কাজ করুক। তরুণদের অনেক স্বপ্ন, ওদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে একজন ভালো দলনেতা দরকার। যারা ছোট ছোট উদ্যোগ নিয়ে বড় কিছু করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়বে।

প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বিবেকের মাধ্যমে আমরা কাজ করেছি। আমি বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। বিবেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ওই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করেছি। যেকোনো কাজ দলগত ভাবে করলে সেটিতে সাফল্য আসে। সবার আগে বাংলাদেশ এ স্লোগান নিয়ে এগোতে হবে।