বাসস

কুমিল্লায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৭৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানার একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো.লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১৪২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপর ১৩৩ জনকে মুচলেকায় অভিভাবক বা জিম্মাদারের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এর নির্দেশনায় জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর বয়সীদের আড্ডা ও উৎপাতের অভিযোগ রয়েছে -এমন স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধের পাশাপাশি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এ কার্যক্রম চালানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

কুমিল্লায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৭৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানার একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো.লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১৪২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপর ১৩৩ জনকে মুচলেকায় অভিভাবক বা জিম্মাদারের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এর নির্দেশনায় জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্য ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। নগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর বয়সীদের আড্ডা ও উৎপাতের অভিযোগ রয়েছে -এমন স্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। মাদক ব্যবসা, ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা প্রতিরোধের পাশাপাশি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এ কার্যক্রম চালানো হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণেরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাই প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।