ফিরে দেখা কুমিল্লা: ৪ আগস্ট ২০২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছিল কুমিল্লার জন্য এক ঘটনাবহুল দিন। এদিন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে ক্যান্টনমেন্টের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন। সেদিন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির বর্তমান সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর নেতৃত্বে মহাসড়কের আলেখারচরে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। দুপুরের দিকে সেনানিবাস এলাকায় সেনাবাহিনীর সাঁজোয়াযানে উঠে পড়েন আন্দোলনকারীরা। ওই সময় পিছু হটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিদিনই মাঠে তৎপর ছিলেন। ৩ আগস্ট পুলিশ লাইন এলাকায় নিরীহ ছাত্রীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করি আমরা। এরপর ৪ আগস্ট সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ করি। দুপুরে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিক্ষোভে অংশ নেন। দুপুরের পর সেনাবাহিনী সাঁজোয়াযানের সামনে উঠে পড়েন নেতাকর্মীরা। তাঁরা জাতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করে। মুলত সেদিনই কুমিল্লা ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়। এখনও সেদিনের কথা মনে এলে স্মৃতিকাতর হই।
ওইদিন কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মো. মাসুম মিয়া নামে এক হোটেল বয়কে। এছাড়া দেবীদ্বার ও দাউদকান্দি উপজেলায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
একই দিন দেবীদ্বার আজগর আলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হন। আহত হন অন্তত ১৫ জন। অপর দিকে দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় সংঘর্ষে এক কনস্টেবল নিহত হন।
নিহত যুবকের নাম আবদুল রাজ্জাক রুবেল (২৬)। তিনি দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের প্রয়াত রফিকুল ইসলামের ছেলে। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম এরশাদ মিয়া। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ের পুলিশের সদস্য।
ওইদিন দেবীদ্বার নিউমার্কেট স্বাধীনতা চত্বরে অবস্থা নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী। স্বাধীনতা চত্বর থেকে কিছুটা দূরে আজগর আলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান যুবক আবদুল রাজ্জাক। এ ছাড়া দফায় দফায় ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রধারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
৪ আগস্ট দুপুরের দিকে সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে মারেন। এতে দৃশ্যপট বদলে যায়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা আলেখারচরে অবস্থিত যুদ্ধজয় ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ছিল কুমিল্লার জন্য এক ঘটনাবহুল দিন। এদিন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে ক্যান্টনমেন্টের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন। সেদিন কুমিল্লা মহানগর বিএনপির বর্তমান সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবুর নেতৃত্বে মহাসড়কের আলেখারচরে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। দুপুরের দিকে সেনানিবাস এলাকায় সেনাবাহিনীর সাঁজোয়াযানে উঠে পড়েন আন্দোলনকারীরা। ওই সময় পিছু হটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জানতে চাইলে মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লার বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতিদিনই মাঠে তৎপর ছিলেন। ৩ আগস্ট পুলিশ লাইন এলাকায় নিরীহ ছাত্রীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করি আমরা। এরপর ৪ আগস্ট সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ করি। দুপুরে হাজার হাজার নেতাকর্মী বিক্ষোভে অংশ নেন। দুপুরের পর সেনাবাহিনী সাঁজোয়াযানের সামনে উঠে পড়েন নেতাকর্মীরা। তাঁরা জাতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করে। মুলত সেদিনই কুমিল্লা ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়। এখনও সেদিনের কথা মনে এলে স্মৃতিকাতর হই।
ওইদিন কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মো. মাসুম মিয়া নামে এক হোটেল বয়কে। এছাড়া দেবীদ্বার ও দাউদকান্দি উপজেলায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
একই দিন দেবীদ্বার আজগর আলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হন। আহত হন অন্তত ১৫ জন। অপর দিকে দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় সংঘর্ষে এক কনস্টেবল নিহত হন।
নিহত যুবকের নাম আবদুল রাজ্জাক রুবেল (২৬)। তিনি দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের প্রয়াত রফিকুল ইসলামের ছেলে। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম এরশাদ মিয়া। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ের পুলিশের সদস্য।
ওইদিন দেবীদ্বার নিউমার্কেট স্বাধীনতা চত্বরে অবস্থা নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী। স্বাধীনতা চত্বর থেকে কিছুটা দূরে আজগর আলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান যুবক আবদুল রাজ্জাক। এ ছাড়া দফায় দফায় ক্ষমতাসীন দলের অস্ত্রধারী নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়ার ঘটনা ঘটে। কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
৪ আগস্ট দুপুরের দিকে সেনাবাহিনী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিকে ফাঁকা গুলি ছুড়ে মারেন। এতে দৃশ্যপট বদলে যায়। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা আলেখারচরে অবস্থিত যুদ্ধজয় ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।