আব্দুল আলীম, দেবীদ্বার

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কটি ছিল একটি মরণফাঁদ। ভোগান্তি ও জনদুর্ভোগ নিয়েই প্রতিদিন হাজারো জনগণ যানবাহন নিয়ে চলাচল করত এ রুটে। আর এ রুটে চলাচল মানেই ছিল দুর্ঘটনার কবলে পড়া। দুর্ঘটনা হলেই আহতের চেয়ে নিহত সংখ্যা বেশি ছড়িয়ে যেত। দেশ স্বাধীনের পর যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে সড়কটি নির্মাণ হয়েছিল, বর্তমানেও সেই পুরানো চিত্রই রয়ে গেছে। হয়নি কোনো পরিকল্পিত সংস্কার ও উন্নয়ন। ১৮ ফুটের প্রশস্ত সড়কটি ছিল পথচারী, চালকদের জন্য যানজট ও দুর্ঘটনার নিত্যদিনের সঙ্গী।
বিগত সরকারের সময় চারলেন করার কথা থাকলেও নানান কারণে প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়। এরমধ্য গত ১৫ এপ্রিল এ সড়কটিতে দুর্ঘটনায় মা, ছেলেসহ তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়কটির বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে জনমনে। এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, তিনি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কটি চারলেন করার জন্য কাজ করবেন। ওইদিন জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে তার বক্তব্যে বেহাল সড়কের কারণে মানুষের প্রাণহানি রোধে এবং লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য ভিক্ষা চেয়েছিলেন তিনি।
এমপি হাসনাতের সংসদে সড়ক সংস্কারের জন্য ভিক্ষা চাওয়ার বিষয়টি আমলে নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গত ৫ মে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত সড়কটির দুইপাশে ৮ ফুট করে প্রশস্ত করার জন্য ২৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকার (প্রায়) ট্রেন্ডার বাস্তবায়ন করেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত সড়কের দুইপাশ প্রশস্ত করণের কার্যকর্ম শুরু হয়েছে। স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে কুমিল্লার উত্তর অঞ্চলের মানুষের। আর সেই স্বপ্ন পূরণের নায়ক এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এ বিষয়ে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, সড়কটি চারলেন ও প্রশস্ত করা কুমিল্লার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল। আপাতত ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত দুইপাশে প্রশস্তের কাজ শুরু হয়েছে। চারলেন প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকর্ম চলমান রয়েছে। আশা করছি শিগগিরই চারলেন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কটি ছিল একটি মরণফাঁদ। ভোগান্তি ও জনদুর্ভোগ নিয়েই প্রতিদিন হাজারো জনগণ যানবাহন নিয়ে চলাচল করত এ রুটে। আর এ রুটে চলাচল মানেই ছিল দুর্ঘটনার কবলে পড়া। দুর্ঘটনা হলেই আহতের চেয়ে নিহত সংখ্যা বেশি ছড়িয়ে যেত। দেশ স্বাধীনের পর যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নিয়ে সড়কটি নির্মাণ হয়েছিল, বর্তমানেও সেই পুরানো চিত্রই রয়ে গেছে। হয়নি কোনো পরিকল্পিত সংস্কার ও উন্নয়ন। ১৮ ফুটের প্রশস্ত সড়কটি ছিল পথচারী, চালকদের জন্য যানজট ও দুর্ঘটনার নিত্যদিনের সঙ্গী।
বিগত সরকারের সময় চারলেন করার কথা থাকলেও নানান কারণে প্রকল্পটি বাতিল হয়ে যায়। এরমধ্য গত ১৫ এপ্রিল এ সড়কটিতে দুর্ঘটনায় মা, ছেলেসহ তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়কটির বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে জনমনে। এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, তিনি নির্বাচিত হলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কটি চারলেন করার জন্য কাজ করবেন। ওইদিন জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে তার বক্তব্যে বেহাল সড়কের কারণে মানুষের প্রাণহানি রোধে এবং লাখ লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ করতে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য ভিক্ষা চেয়েছিলেন তিনি।
এমপি হাসনাতের সংসদে সড়ক সংস্কারের জন্য ভিক্ষা চাওয়ার বিষয়টি আমলে নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গত ৫ মে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত সড়কটির দুইপাশে ৮ ফুট করে প্রশস্ত করার জন্য ২৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকার (প্রায়) ট্রেন্ডার বাস্তবায়ন করেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত সড়কের দুইপাশ প্রশস্ত করণের কার্যকর্ম শুরু হয়েছে। স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে কুমিল্লার উত্তর অঞ্চলের মানুষের। আর সেই স্বপ্ন পূরণের নায়ক এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এ বিষয়ে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, সড়কটি চারলেন ও প্রশস্ত করা কুমিল্লার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল। আপাতত ময়নামতি থেকে দেবীদ্বার পর্যন্ত দুইপাশে প্রশস্তের কাজ শুরু হয়েছে। চারলেন প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকর্ম চলমান রয়েছে। আশা করছি শিগগিরই চারলেন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।