নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনের ৭৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের কাছে ১৬ টি অস্ত্রের লাইসেন্স আছে। হলফনামায় প্রার্থীরা এই তথ্য দিয়েছেন। প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির আটজন, স্বতন্ত্র দুইজন ও জাতীয় পার্টির একজন।
হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের একটি শটগান ও একটি রিভলবার আছে। কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমির হোসেনের আছে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের দুটি আগ্নেয়াস্ত্র। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস মো. আবদুল মতিনের আছে ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা দামের একটি পিস্তল ও ৮৪ হাজার ৮০০ টাকার দামের একটি শটগান। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আছে ২ লাখ টাকা দামের একটি দোনলা বন্দুক এবং একটি পিস্তল। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আছে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিনের আছে এক লাখ টাকা দামের একটি শটগান। কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর আছে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা দামের একটি রিভলবার ও একটি শটগান।
একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের আছে এক লাখ টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদের আছে তিন লাখ টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের আছে একটি পিস্তল ও একটি শটগান।
কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুসারে নির্বাচনে কোনো প্রার্থী অনিরাপদ মনে করলে তিনি লাইসেন্স করা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রদর্শন করতে পারবেন না। তিনি আরও বলেন, কোনো প্রার্থী নিরাপত্তার স্বার্থে বিধি মোতাবেক সব শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে নির্বাচন পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনের ৭৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের কাছে ১৬ টি অস্ত্রের লাইসেন্স আছে। হলফনামায় প্রার্থীরা এই তথ্য দিয়েছেন। প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির আটজন, স্বতন্ত্র দুইজন ও জাতীয় পার্টির একজন।
হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের একটি শটগান ও একটি রিভলবার আছে। কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আমির হোসেনের আছে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের দুটি আগ্নেয়াস্ত্র। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস মো. আবদুল মতিনের আছে ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা দামের একটি পিস্তল ও ৮৪ হাজার ৮০০ টাকার দামের একটি শটগান। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের আছে ২ লাখ টাকা দামের একটি দোনলা বন্দুক এবং একটি পিস্তল। কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আছে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিনের আছে এক লাখ টাকা দামের একটি শটগান। কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর আছে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা দামের একটি রিভলবার ও একটি শটগান।
একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের আছে এক লাখ টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) বিএনপির প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদের আছে তিন লাখ টাকা দামের একটি আগ্নেয়াস্ত্র। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমনের আছে একটি পিস্তল ও একটি শটগান।
কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুসারে নির্বাচনে কোনো প্রার্থী অনিরাপদ মনে করলে তিনি লাইসেন্স করা বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রদর্শন করতে পারবেন না। তিনি আরও বলেন, কোনো প্রার্থী নিরাপত্তার স্বার্থে বিধি মোতাবেক সব শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে নির্বাচন পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।