মোহাম্মদ শরীফ

কুমিল্লা নগরে নতুন ভবন নির্মাণের যেন হিড়িক পড়েছে। আর এসব নির্মাণাধীন ভবন রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু রোগের আঁতুরঘর হিসেবে। বেসমেন্ট, লিফটের গর্ত ও ভবনের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন জমে থাকা পানিতে তৈরি হয়েছে এডিসের অভয়ারণ্য। এসব জমে থাকা পানি পঁচে দুর্গন্ধ তৈরি হয়েছে কিছু ভবনে। আর্বজনা ও পঁচা পানিতে চোখে পড়ছে মশার লার্ভা।
কুমিল্লা নগরের ঠাকুরপাড়া, ঝাউতলা, বাগিচাগাঁও, রাণীর বাজার, পুলিশ লাইন, পুরাতন চৌধুরীপাড়া ও বাদুরতলা এলাকা ঘুরে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে এসব চিত্র দেখা গেছে।
এর প্রভাবে কুমিল্লায় বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।
গত ২৪ ঘন্টায় কুমিল্লায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৬৭ জন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নুরজাহান নামের অন্তঃসত্ত্বা এক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। চান্দিনার এক জামায়াতের নেতাও মারা গেছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছে।
এ সময় পাঁচটি ভবন পরিদর্শন করে চারটিতে এডিস মশা তৈরির পরিবেশ খুঁজে পাওয়া যায়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন তিনটি ভবন মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একটি ভবন মালিককে মুচলেকা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার নগরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন ও স্থাপনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবনের নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য স্থানে পানি জমিয়ে রাখার অপরাধে তিন ভবন মালিকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন। এ সময় নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী মো. আবদুস সালাম, ফুড অ্যান্ড স্যানিটারি অফিসার নাজিম উদ্দিন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. জুয়েলসহ সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এটি আমাদের তৃতীয় দিনের অভিযান। আমরা নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে দেখছি। পাঁচটি ভবন পরির্দশন করে চারটি ভবনে আমরা এডিস মশা তৈরির পরিবেশ পেয়েছি। তিনটি ভবন মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি ভবন মালিককে আমরা মুচলেকা দিয়েছি। এছাড়া ডেঙ্গু সচেতনতায় আমরা মাইকিংসহ নানা ভাবে সচেতন করার চেষ্টা করছি। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নগরবাসীকে সচেতন করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় চলতি মাসে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৩ জন। গতমাসে আক্রান্ত হয়েছিল ১১৭৫ জন রোগী। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন ৯৫ জন রোগী।

কুমিল্লা নগরে নতুন ভবন নির্মাণের যেন হিড়িক পড়েছে। আর এসব নির্মাণাধীন ভবন রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু রোগের আঁতুরঘর হিসেবে। বেসমেন্ট, লিফটের গর্ত ও ভবনের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন জমে থাকা পানিতে তৈরি হয়েছে এডিসের অভয়ারণ্য। এসব জমে থাকা পানি পঁচে দুর্গন্ধ তৈরি হয়েছে কিছু ভবনে। আর্বজনা ও পঁচা পানিতে চোখে পড়ছে মশার লার্ভা।
কুমিল্লা নগরের ঠাকুরপাড়া, ঝাউতলা, বাগিচাগাঁও, রাণীর বাজার, পুলিশ লাইন, পুরাতন চৌধুরীপাড়া ও বাদুরতলা এলাকা ঘুরে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে এসব চিত্র দেখা গেছে।
এর প্রভাবে কুমিল্লায় বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।
গত ২৪ ঘন্টায় কুমিল্লায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৬৭ জন।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নুরজাহান নামের অন্তঃসত্ত্বা এক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। চান্দিনার এক জামায়াতের নেতাও মারা গেছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান পরিচালনা করেছে।
এ সময় পাঁচটি ভবন পরিদর্শন করে চারটিতে এডিস মশা তৈরির পরিবেশ খুঁজে পাওয়া যায়। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন তিনটি ভবন মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একটি ভবন মালিককে মুচলেকা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার নগরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন ও স্থাপনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবনের নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য স্থানে পানি জমিয়ে রাখার অপরাধে তিন ভবন মালিকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন। এ সময় নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী মো. আবদুস সালাম, ফুড অ্যান্ড স্যানিটারি অফিসার নাজিম উদ্দিন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. জুয়েলসহ সিটি করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এটি আমাদের তৃতীয় দিনের অভিযান। আমরা নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে দেখছি। পাঁচটি ভবন পরির্দশন করে চারটি ভবনে আমরা এডিস মশা তৈরির পরিবেশ পেয়েছি। তিনটি ভবন মালিককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একটি ভবন মালিককে আমরা মুচলেকা দিয়েছি। এছাড়া ডেঙ্গু সচেতনতায় আমরা মাইকিংসহ নানা ভাবে সচেতন করার চেষ্টা করছি। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নগরবাসীকে সচেতন করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, কুমিল্লায় চলতি মাসে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৩ জন। গতমাসে আক্রান্ত হয়েছিল ১১৭৫ জন রোগী। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন ৯৫ জন রোগী।