আমার শহর ডেস্ক

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এক ট্রাকচালকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আলী আক্কাছের ছেলে মহিন উদ্দিন (৩৪), উৎসবপদুয়া গ্রামের রৌশন আলীর ছেলে মো. রাকিব (২৫) ও মেঘনা উপজেলার সাতানি শিবনগর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে আল আমিন (৩৬)।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের উপজেলার হরিশ্চর রেলগেট এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রাকচালকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ট্রাকচালকের নাম আবদুর রশিদ (৩৫)। লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
এ বিষয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথার ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহত ট্রাকচালক আব্দুর রশিদের সঙ্গে মহিন উদ্দিনের মোবাইল সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ নিয়ে এলাকায় সালিশ হয়েছিল। ওই বিরোধের ধরে জের ধরে ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় তিনজনই ঘটনাস্থলে ছিলেন। আল আমিনকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এক ট্রাকচালকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আলী আক্কাছের ছেলে মহিন উদ্দিন (৩৪), উৎসবপদুয়া গ্রামের রৌশন আলীর ছেলে মো. রাকিব (২৫) ও মেঘনা উপজেলার সাতানি শিবনগর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে আল আমিন (৩৬)।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের উপজেলার হরিশ্চর রেলগেট এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রাকচালকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ট্রাকচালকের নাম আবদুর রশিদ (৩৫)। লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
এ বিষয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মাথার ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহত ট্রাকচালক আব্দুর রশিদের সঙ্গে মহিন উদ্দিনের মোবাইল সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ নিয়ে এলাকায় সালিশ হয়েছিল। ওই বিরোধের ধরে জের ধরে ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় তিনজনই ঘটনাস্থলে ছিলেন। আল আমিনকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।