এমডি আজিজুর রহমান, বরুড়া

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্রীপুর থেকে বটতলি পর্যন্ত ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সড়ক হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত এইচবিএম (হেরিংবোন/ইটের সলিং) অংশে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেইজে ব্যবহৃত ইটের টুকরো (আদলাতে) তিন নম্বর ইট লাগানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সড়কের বেড থেকে পুরোনো ইটের খোয়া উঠিয়ে পুনরায় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রোলার দিয়ে চাপ দেওয়ার সময় নিম্নমানের এসব উপকরণ ভেঙে রাবিশে পরিণত হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন। বিশেষ করে জলাবদ্ধ বা নিচু অংশে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে তিন নম্বর ইটের কণা ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মাসুম খান বলেন, কাজের ধরণ অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাকভাবেই করা হচ্ছে। তিনি নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ঠিকাদার জসিম উদ্দিন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংস্কারকাজ নিয়ম অনুযায়ীই করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে। অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজ চলমান থাকতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে সড়কটির স্থায়িত্ব ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্রীপুর থেকে বটতলি পর্যন্ত ৩ দশমিক ৩ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সড়ক হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারে ব্যবহৃত এইচবিএম (হেরিংবোন/ইটের সলিং) অংশে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেইজে ব্যবহৃত ইটের টুকরো (আদলাতে) তিন নম্বর ইট লাগানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সড়কের বেড থেকে পুরোনো ইটের খোয়া উঠিয়ে পুনরায় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রোলার দিয়ে চাপ দেওয়ার সময় নিম্নমানের এসব উপকরণ ভেঙে রাবিশে পরিণত হচ্ছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেন। বিশেষ করে জলাবদ্ধ বা নিচু অংশে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে তিন নম্বর ইটের কণা ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মাসুম খান বলেন, কাজের ধরণ অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাকভাবেই করা হচ্ছে। তিনি নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
ঠিকাদার জসিম উদ্দিন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সংস্কারকাজ নিয়ম অনুযায়ীই করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে। অনিয়ম হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংস্কারকাজ চলমান থাকতেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে পরিদর্শন ও নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা করা হলে সড়কটির স্থায়িত্ব ও কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।