নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ও অননুমোদিত ওষুধ, ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল ও উৎপাদন মেশিন জব্দ করা হয়েছে। এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডসংলগ্ন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পিকআপ থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি অননুমোদিত নকল ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও সিরাপসহ মোট ১৮ হাজার ৬৬০ পিস ওষুধ জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০০ কেজি ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল পাউডার, ৭ লিটার তরল কেমিক্যাল, প্রায় ২০ হাজার ওষুধের লেবেল, ১৫ কেজি ফয়েল পেপার এবং নকল ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত তিনটি মেশিন উদ্ধার করা হয়।
এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীনিবাস এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান শেষে জব্দকৃত মালামাল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনারের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

কুমিল্লায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ও অননুমোদিত ওষুধ, ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল ও উৎপাদন মেশিন জব্দ করা হয়েছে। এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডসংলগ্ন শ্রীবল্লভপুর এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পিকআপ থেকে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি অননুমোদিত নকল ক্যাপসুল, ট্যাবলেট ও সিরাপসহ মোট ১৮ হাজার ৬৬০ পিস ওষুধ জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০০ কেজি ওষুধ তৈরির কেমিক্যাল পাউডার, ৭ লিটার তরল কেমিক্যাল, প্রায় ২০ হাজার ওষুধের লেবেল, ১৫ কেজি ফয়েল পেপার এবং নকল ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত তিনটি মেশিন উদ্ধার করা হয়।
এ সময় নকল ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার শ্রীনিবাস এলাকার বাসিন্দা জুনায়েদ ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান শেষে জব্দকৃত মালামাল সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সদর দক্ষিণ উপজেলার সহকারী কমিশনারের নির্দেশনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জেলা ঔষধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।