চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার গোমারবাড়ি থেকে প্রায় তিনশত কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে র্যাব। এরমধ্যে ‘সাক্ষী’ বানাবে বলে গাড়িতে উঠিয়ে দুই মিস্ত্রিকেও আসামি করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে মুজিবুল হক ও সিয়াম নামে দুই মিস্ত্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী। মানববন্ধনে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার এ.আর.এম মোজাফ্ফর হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর এলাকায় ‘নিউ দাউদকান্দি এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসে যাত্রী বেশে গাঁজা বহনকালে সিনথিয়া ইসলাম ও রাবিয়া বেগম নামের দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের নিকট সুকৌশলে রক্ষিত লাগেজের ভিতর স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ১৩ কেজি গাঁজা, ১ বোতল বিদেশি মদ ও ৬ বোতল বিয়ার উদ্ধার করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের অভিযানিক একটি টিম চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ভারত সীমান্তবর্তী গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় প্রবেশ করে মুজিবুল হক ও সিয়ামকে আটক করে এবং তাদের গোয়াল ঘর থেকে ২৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
আটককৃত দুই মিস্ত্রির প্রতিবেশী ও মানববন্ধনে গ্রামবাসী বলেন, র্যাব পূর্বপাড়ায় প্রবেশের সময় ‘দেইড় পুকুর’ পাড়ে বসে মোবাইলে লুডু খেলারত অবস্থায় এসএস পাইপ মিস্ত্রি মুজিবুল হক ও রাজমিস্ত্রি মো. সিয়ামকে মাদক ব্যবসায়ী মো. নাছিরের গোয়ালঘর ও রবিউলের বসতঘর-গোসলখানা দেখানোর কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে মাদক ব্যবসায়ী নাছিরের গোয়ালঘর ও রবিউলের বসতঘর-গোসলখানা থেকে গাঁজা উদ্ধার করে র্যাব। অভিযান শেষে মিস্ত্রি মুজিবুল হক ও সিয়ামকে সাক্ষী বানাবে বলে র্যাব তাদের গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার বিকেলে মুজিবুল হক ও সিয়ামকে আসামি করে র্যাব চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদক আইনে মামলা করে। কিন্তু র্যাবের মামলা ও মিডিয়ায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মুজিবুল হক ও সিয়ামের গোয়ালঘর থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনা উল্লেখ করলেও তাদের দুইজনের পরিবারের গোয়ালঘর নেই। দুই পরিবার গরু পালন করে না।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ নয়ন, মো. ইউসুফ, জসিম উদ্দিন, বেলাল হোসেন, মারুফ হোসেন ও মো. দিপু। উপস্থিত ছিলেন গ্রামের দেড় শতাধিক মানুষ। বক্তারা বলেন, প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি, আপনারা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখুন মুজিবুল হক ও সিয়ামের পরিবার গরু পালন করে কিনা, গোয়ালঘর আছে কিনা। তারা মূলত, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও অসহায় পরিবারের সদস্য। হয়রানির উদ্দেশে র্যাব প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে নিরপরাধ দুই মিস্ত্রিকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছে। আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরপরাধ দুই মিস্ত্রির নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক নূর নবী শনিবার বিকেলে বলেন, ‘র্যাবের অভিযানে ২৭৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটকের ঘটনায় মাদক মামলা হয়েছে। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে’।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার গোমারবাড়ি থেকে প্রায় তিনশত কেজি গাঁজাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে র্যাব। এরমধ্যে ‘সাক্ষী’ বানাবে বলে গাড়িতে উঠিয়ে দুই মিস্ত্রিকেও আসামি করা হয়। আজ শনিবার বিকেলে মুজিবুল হক ও সিয়াম নামে দুই মিস্ত্রির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী। মানববন্ধনে গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার এ.আর.এম মোজাফ্ফর হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফতেহপুর এলাকায় ‘নিউ দাউদকান্দি এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসে যাত্রী বেশে গাঁজা বহনকালে সিনথিয়া ইসলাম ও রাবিয়া বেগম নামের দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের নিকট সুকৌশলে রক্ষিত লাগেজের ভিতর স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ১৩ কেজি গাঁজা, ১ বোতল বিদেশি মদ ও ৬ বোতল বিয়ার উদ্ধার করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের অভিযানিক একটি টিম চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ভারত সীমান্তবর্তী গোমারবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকায় প্রবেশ করে মুজিবুল হক ও সিয়ামকে আটক করে এবং তাদের গোয়াল ঘর থেকে ২৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
আটককৃত দুই মিস্ত্রির প্রতিবেশী ও মানববন্ধনে গ্রামবাসী বলেন, র্যাব পূর্বপাড়ায় প্রবেশের সময় ‘দেইড় পুকুর’ পাড়ে বসে মোবাইলে লুডু খেলারত অবস্থায় এসএস পাইপ মিস্ত্রি মুজিবুল হক ও রাজমিস্ত্রি মো. সিয়ামকে মাদক ব্যবসায়ী মো. নাছিরের গোয়ালঘর ও রবিউলের বসতঘর-গোসলখানা দেখানোর কথা বলে সঙ্গে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে মাদক ব্যবসায়ী নাছিরের গোয়ালঘর ও রবিউলের বসতঘর-গোসলখানা থেকে গাঁজা উদ্ধার করে র্যাব। অভিযান শেষে মিস্ত্রি মুজিবুল হক ও সিয়ামকে সাক্ষী বানাবে বলে র্যাব তাদের গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরদিন শুক্রবার বিকেলে মুজিবুল হক ও সিয়ামকে আসামি করে র্যাব চৌদ্দগ্রাম থানায় মাদক আইনে মামলা করে। কিন্তু র্যাবের মামলা ও মিডিয়ায় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মুজিবুল হক ও সিয়ামের গোয়ালঘর থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনা উল্লেখ করলেও তাদের দুইজনের পরিবারের গোয়ালঘর নেই। দুই পরিবার গরু পালন করে না।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ নয়ন, মো. ইউসুফ, জসিম উদ্দিন, বেলাল হোসেন, মারুফ হোসেন ও মো. দিপু। উপস্থিত ছিলেন গ্রামের দেড় শতাধিক মানুষ। বক্তারা বলেন, প্রশাসনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি, আপনারা সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখুন মুজিবুল হক ও সিয়ামের পরিবার গরু পালন করে কিনা, গোয়ালঘর আছে কিনা। তারা মূলত, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও অসহায় পরিবারের সদস্য। হয়রানির উদ্দেশে র্যাব প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করে নিরপরাধ দুই মিস্ত্রিকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছে। আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও নিরপরাধ দুই মিস্ত্রির নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক নূর নবী শনিবার বিকেলে বলেন, ‘র্যাবের অভিযানে ২৭৬ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটকের ঘটনায় মাদক মামলা হয়েছে। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে’।