লালমাই প্রতিনিধি

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে বাহার (৩০) নামে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ঝুমু আক্তার নামে এক নারীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক নারী ‘আত্মরক্ষার্থে’ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে দাবি করলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দত্তপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। নিহত বাহার ওই এলাকার রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রতিবেশী প্রবাসী রাসেলের স্ত্রী ঝুমু আক্তার মোবাইল ফোনে বাহারকে তাঁর ঘরে ডেকে নেন। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় লোকজন ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় বাহারের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। অভিযোগ রয়েছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে তাঁর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রামে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার সন্দেহে প্রবাসীর স্ত্রী ঝুমু আক্তারকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই খুনের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ, পরকীয়া বা পারিবারিক কোনো গোপন সম্পর্ক কিংবা অন্য কোনো মোটিভ রয়েছে কিনা, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা কাপড় ও ধারালো অস্ত্রসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ঝুমু আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী দাবি করেছেন, নিজের আত্মরক্ষার্থে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে এটি তদন্তের একটি প্রাথমিক অংশ মাত্র। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, উদ্ধারকৃত আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে বাহার (৩০) নামে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ঝুমু আক্তার নামে এক নারীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক নারী ‘আত্মরক্ষার্থে’ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে দাবি করলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
আজ শনিবার সকালে উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দত্তপুর পূর্বপাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। নিহত বাহার ওই এলাকার রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে প্রতিবেশী প্রবাসী রাসেলের স্ত্রী ঝুমু আক্তার মোবাইল ফোনে বাহারকে তাঁর ঘরে ডেকে নেন। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় লোকজন ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় বাহারের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। অভিযোগ রয়েছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে তাঁর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
খবর পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রামে অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থান নেয় পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার সন্দেহে প্রবাসীর স্ত্রী ঝুমু আক্তারকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। এই খুনের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ, পরকীয়া বা পারিবারিক কোনো গোপন সম্পর্ক কিংবা অন্য কোনো মোটিভ রয়েছে কিনা, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা কাপড় ও ধারালো অস্ত্রসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেছে।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ঝুমু আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী দাবি করেছেন, নিজের আত্মরক্ষার্থে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে এটি তদন্তের একটি প্রাথমিক অংশ মাত্র। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, উদ্ধারকৃত আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।