ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় গতকাল বুধবার একই দিনে ৭জন নিহত হয়েছেন। পৃথক এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভোরে কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া মাজার এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। চাঁদপুরের বেলতলী সোলেমান লেংটার মেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।
নিহতরা হলেন—দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের সরকারপুর গ্রামের প্রয়াত লতু মিয়ার ছেলে বারেক (৪২) এবং একই এলাকার মো. নুর ইসলামের ছেলে মোস্তফা (৪০)।
কুমিল্লার চান্দিনায় মহাসড়ক পারাপারের সময় লরিচাপায় এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে চান্দিনা কাঠেরপুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছাত্রের নাম ইবনে তাইম। তিনি চান্দিনা পৌরসভার রাড়িরচর এলাকার বাবুল মিয়ার বড় ছেলে এবং বড় গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূঁইয়া উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচংয়ের নিমসার বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যানের পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই দুই পরিবহনের দুই চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মইন (৪০) এবং মেহেরপুর জেলার কেশবপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩৫)।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়ারবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাব উদ্দিন।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়। নিহত নারী হাজেরা বেগম (৭০)। তিনি চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই দিন ভোরে উপজেলার পদুয়া এলাকায় ট্রাক মেরামতের সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির চাপায় আরও একজন নিহত হন। নিহত ব্যক্তি ওমর ফারুক (৩৯)। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী জেলায় বলে জানা গেছে।
হাইওয়ে রিজিয়ন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান বলেন, কুমিল্লায় মহাসড়কের দুর্ঘটনার কারণ অনেকগুলো। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গতিসীমা ৮০। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় গতিসীমা ৩০, ৪০, ৫০, ৬০ দেওয়া। কিন্তু অনেকে তা মানেন না। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন রেঞ্জের গাড়ি একসঙ্গে চলায় আরও একটি বড় সমস্যা তৈরি হয়। কুমিল্লায় সড়কে আইনশৃঙ্খলা মানার প্রবণতাও কম। আমাদের টিম সবসময় সড়কে থাকে এবং আমরা চেষ্টা করি সবাইকে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে রাখতে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সড়ক দুর্ঘটনায় গতকাল বুধবার একই দিনে ৭জন নিহত হয়েছেন। পৃথক এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভোরে কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া মাজার এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন। চাঁদপুরের বেলতলী সোলেমান লেংটার মেলা থেকে বাড়ি ফেরার পথে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন।
নিহতরা হলেন—দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের সরকারপুর গ্রামের প্রয়াত লতু মিয়ার ছেলে বারেক (৪২) এবং একই এলাকার মো. নুর ইসলামের ছেলে মোস্তফা (৪০)।
কুমিল্লার চান্দিনায় মহাসড়ক পারাপারের সময় লরিচাপায় এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে চান্দিনা কাঠেরপুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছাত্রের নাম ইবনে তাইম। তিনি চান্দিনা পৌরসভার রাড়িরচর এলাকার বাবুল মিয়ার বড় ছেলে এবং বড় গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূঁইয়া উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচংয়ের নিমসার বাজার এলাকায় কাভার্ডভ্যানের পেছনে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই দুই পরিবহনের দুই চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন—নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মইন (৪০) এবং মেহেরপুর জেলার কেশবপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩৫)।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়ারবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাব উদ্দিন।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় এক নারীর মৃত্যু হয়। নিহত নারী হাজেরা বেগম (৭০)। তিনি চৌদ্দগ্রাম পৌর এলাকার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই দিন ভোরে উপজেলার পদুয়া এলাকায় ট্রাক মেরামতের সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ির চাপায় আরও একজন নিহত হন। নিহত ব্যক্তি ওমর ফারুক (৩৯)। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী জেলায় বলে জানা গেছে।
হাইওয়ে রিজিয়ন কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহিনুর আলম খান বলেন, কুমিল্লায় মহাসড়কের দুর্ঘটনার কারণ অনেকগুলো। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গতিসীমা ৮০। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় গতিসীমা ৩০, ৪০, ৫০, ৬০ দেওয়া। কিন্তু অনেকে তা মানেন না। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন রেঞ্জের গাড়ি একসঙ্গে চলায় আরও একটি বড় সমস্যা তৈরি হয়। কুমিল্লায় সড়কে আইনশৃঙ্খলা মানার প্রবণতাও কম। আমাদের টিম সবসময় সড়কে থাকে এবং আমরা চেষ্টা করি সবাইকে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে রাখতে।