কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক প্রভাব, বহিরাগতদের উপস্থিতির কারণে উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ২৮৭।
সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সমিতি ভবনে ভোট গ্রহণ হবে। ১৫ টি পদে নির্বাচন হবে। বিএনপির একটি অংশ পাঁচটি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছে। জামায়াত ও বিএনপির একাংশ এবং আওয়ামী লীগ ও বাম ঘরানার স্বতন্ত্র প্যানেল সবকয়টি পদে প্রার্থী দিয়েছে। এ নির্বাচনে বহিরাগতদের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা আছে। আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচন নিয়ে ও ভোট দেওয়া নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন।
তবে নির্বাচনকে ভয়ভীতির মধ্যে রাখতে মরিয়া জামায়াত ও বিএনপির একটি অংশ। ইতিমধ্যে ওই প্যানেল ভিন্ন মতের আইনজীবীদের নানাভাবে ভয়ভীতি করছে বলে আইনজীবীদের কারও কারও অভিযোগ। তাঁরা চান ভোটের পরিবেশ সুন্দর থাকুক। গতবারের মতো একতরফা নির্বাচন চান না তাঁরা।
নির্বাচনে জাতীয়বাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (জামায়াত-বিএনপির একাংশ) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. সহিদুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারছেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ (বিএনপির একাংশ) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট তৌফিক আহম্মদ চৌধুরী আকাশ প্রার্থী হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ ও বাম ঘরানার থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নেয়ামতউল্লাহ জামান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে তাঁরা নিজেদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।
আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কা করছি না। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।
সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, এটি পেশাজীবীদের নির্বাচন। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আইনজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে চাই। নির্বাচনে কোনও ধরণের অনিয়াম বরদাশত কম হবে না। আশা করি নির্বাচন কমিশন সুন্দর নির্বাচন উপহার দিবে।

রাজনৈতিক প্রভাব, বহিরাগতদের উপস্থিতির কারণে উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ২৮৭।
সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সমিতি ভবনে ভোট গ্রহণ হবে। ১৫ টি পদে নির্বাচন হবে। বিএনপির একটি অংশ পাঁচটি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছে। জামায়াত ও বিএনপির একাংশ এবং আওয়ামী লীগ ও বাম ঘরানার স্বতন্ত্র প্যানেল সবকয়টি পদে প্রার্থী দিয়েছে। এ নির্বাচনে বহিরাগতদের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা আছে। আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচন নিয়ে ও ভোট দেওয়া নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন।
তবে নির্বাচনকে ভয়ভীতির মধ্যে রাখতে মরিয়া জামায়াত ও বিএনপির একটি অংশ। ইতিমধ্যে ওই প্যানেল ভিন্ন মতের আইনজীবীদের নানাভাবে ভয়ভীতি করছে বলে আইনজীবীদের কারও কারও অভিযোগ। তাঁরা চান ভোটের পরিবেশ সুন্দর থাকুক। গতবারের মতো একতরফা নির্বাচন চান না তাঁরা।
নির্বাচনে জাতীয়বাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (জামায়াত-বিএনপির একাংশ) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. সহিদুল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারছেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদ (বিএনপির একাংশ) প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট তৌফিক আহম্মদ চৌধুরী আকাশ প্রার্থী হয়েছেন।
আওয়ামী লীগ ও বাম ঘরানার থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নেয়ামতউল্লাহ জামান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে তাঁরা নিজেদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।
আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে এমন আশঙ্কা করছি না। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।
সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট গোলাম ফারুক বলেন, এটি পেশাজীবীদের নির্বাচন। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আইনজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে চাই। নির্বাচনে কোনও ধরণের অনিয়াম বরদাশত কম হবে না। আশা করি নির্বাচন কমিশন সুন্দর নির্বাচন উপহার দিবে।