বাসস, কুমিল্লা

জেলায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
এদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১২৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবক বা স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার পাশাপাশি কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন এলাকাগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি এ অভিযানে অংশ নেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদের মুচলেকায় জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
তিনি কিশোর অপরাধ, মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর বলেও জানান।

জেলায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
এদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১২৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবক বা স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানা এলাকার পাশাপাশি কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন এলাকাগুলোকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি এ অভিযানে অংশ নেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদের মুচলেকায় জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
তিনি কিশোর অপরাধ, মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর বলেও জানান।