ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন বাজার ও সংযোগ সড়কের কারণে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মহাসড়ক পুলিশ বলছে, জনগণ, চালকদের সচেতনতা ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি না চলছে কোন ধরণের সমস্যা হবে না।
এদিকে ঈদ যাত্রায় মহাসড়কে যানজট কমাতে কাজ করছে পুলিশ এবং প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের প্রধান মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত ১২টি স্পটে যানবাহনের জটলা বাঁধতে পারে।
চালক এবং যাত্রীরা জানায়, মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজা, শহীদনগর, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, আলেখারচর, কোটবাড়ির নন্দনপুন, পদুয়ার বাজার, সুয়াগঞ্জ বাজার, মিঞার বাজার এবং চৌদ্দগ্রাম এলাকায় মহাসড়কের উপর হাট বাজার, সিএনজি, মারুতি স্ট্যান্ডসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। ওই স্থানে প্রতিদিন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদযাত্রায় সেখানে ভোগান্তি হতে পারে।
এবারের ঈদে যানজট নিরসনে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশ নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, স্টেশন গুলোতে অব্যবস্থাপনা,টোলপ্লাজায় ধীরগতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ দোকানপাট, এবং তিন চাকার বাহন চলাচলই মহাসড়কে যানজট সৃষ্টির অন্যতম কারণ।
ঈদ যাত্রায় যানজট নিরসনে জেলা প্রশাসন, হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশ মোতায়েন এবং স্বেচ্ছাসেবক (শিক্ষার্থী ও স্কাউট) নিয়োজিত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাছাড়া, মহাসড়কের ভাঙা স্থান মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী এশিয়ালাইন বাসের চালক আলী হোসেন বলেন, বাজারগুলোতে সমস্যা আছে।
কুমিল্লা রিজিওনাল হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে কোনো ভোগান্তি হবে না। আমরা যানজটমুক্ত নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছি।
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির কুমিল্লা জেলার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি লাঘবে আমরা কাজ করছি। পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালন করবে।

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন বাজার ও সংযোগ সড়কের কারণে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। মহাসড়ক পুলিশ বলছে, জনগণ, চালকদের সচেতনতা ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি না চলছে কোন ধরণের সমস্যা হবে না।
এদিকে ঈদ যাত্রায় মহাসড়কে যানজট কমাতে কাজ করছে পুলিশ এবং প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের প্রধান মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত ১২টি স্পটে যানবাহনের জটলা বাঁধতে পারে।
চালক এবং যাত্রীরা জানায়, মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজা, শহীদনগর, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, আলেখারচর, কোটবাড়ির নন্দনপুন, পদুয়ার বাজার, সুয়াগঞ্জ বাজার, মিঞার বাজার এবং চৌদ্দগ্রাম এলাকায় মহাসড়কের উপর হাট বাজার, সিএনজি, মারুতি স্ট্যান্ডসহ নানা অব্যবস্থাপনার কারণে যানজট সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। ওই স্থানে প্রতিদিন যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদযাত্রায় সেখানে ভোগান্তি হতে পারে।
এবারের ঈদে যানজট নিরসনে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং হাইওয়ে পুলিশ নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়, স্টেশন গুলোতে অব্যবস্থাপনা,টোলপ্লাজায় ধীরগতি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ দোকানপাট, এবং তিন চাকার বাহন চলাচলই মহাসড়কে যানজট সৃষ্টির অন্যতম কারণ।
ঈদ যাত্রায় যানজট নিরসনে জেলা প্রশাসন, হাইওয়ে ও জেলা পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশ মোতায়েন এবং স্বেচ্ছাসেবক (শিক্ষার্থী ও স্কাউট) নিয়োজিত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাছাড়া, মহাসড়কের ভাঙা স্থান মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী এশিয়ালাইন বাসের চালক আলী হোসেন বলেন, বাজারগুলোতে সমস্যা আছে।
কুমিল্লা রিজিওনাল হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় মহাসড়কে কোনো ভোগান্তি হবে না। আমরা যানজটমুক্ত নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছি।
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির কুমিল্লা জেলার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি লাঘবে আমরা কাজ করছি। পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালন করবে।