বাসস

জেলার শিল্প কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উস্কানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। ১৮টি থানায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে শিল্প কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উস্কানিদাতা হিসেবে চিহ্নিত মাসুদ রানা (২৬) কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তিনি শ্রমিকদের আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও উঠতি বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোতে অভিযান জোরদার করা হয়। পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারাও সরাসরি অভিযানে অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভূক্ত আসামিসহ মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা এবং তাদের পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
নিরাপদ কুমিল্লা গড়ে তোলা ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমন ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।

জেলার শিল্প কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উস্কানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাং, মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। ১৮টি থানায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এসব তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে শিল্প কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উস্কানিদাতা হিসেবে চিহ্নিত মাসুদ রানা (২৬) কে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে তিনি শ্রমিকদের আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও উঠতি বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে, এমন স্থানগুলোতে অভিযান জোরদার করা হয়। পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারাও সরাসরি অভিযানে অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভূক্ত আসামিসহ মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা এবং তাদের পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
নিরাপদ কুমিল্লা গড়ে তোলা ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমন ও জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।