চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

আগামী ১৭ নভেম্বর স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাফর)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব কাজী মো. নাহিদ এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারী নেতা হচ্ছেন ভাসানী।
তিনি আরও বলেন, এ দেশের কৃষক-শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য আবদুল হামিদ খান ভাসানী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শ্রমিকদের ওপর যে নির্যাতন চলছিল, সে নির্যাতন প্রতিরোধের ভাসানীর যোগ্য উত্তরসূরী কাজী জাফর আহমেদ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। জাতীয় পার্টি সরকারের একটি অংশ। তাই, দেশের জন্য মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ত্যাগ স্মরণ রাখতেই প্রতি বছর ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের আহ্বান জানাই।
উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ চৌধুরী পাশার সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুব সংহতির আহ্বায়ক কাজী শহীদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাফর) কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খবির আহমেদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল হক পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় শ্রমিকনেতা নুর হোসেন, জাতীয় পার্টির গুনবতী ইউনিয়ন আহ্বায়ক জাকির হোসেন জিগির, সদস্য সচিব জানে আলম দোভাষী, আলকরা ইউনিয়ন আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জহির, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন নেতা আবুল কাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন নেতা নাছির উদ্দিন, বাতিসা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ভুঁইয়া রিপন।

আগামী ১৭ নভেম্বর স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাফর)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব কাজী মো. নাহিদ এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম স্বপ্নদ্রষ্টা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বলিষ্ঠ নেতৃত্বদানকারী নেতা হচ্ছেন ভাসানী।
তিনি আরও বলেন, এ দেশের কৃষক-শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য আবদুল হামিদ খান ভাসানী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শ্রমিকদের ওপর যে নির্যাতন চলছিল, সে নির্যাতন প্রতিরোধের ভাসানীর যোগ্য উত্তরসূরী কাজী জাফর আহমেদ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক সমাবেশের মধ্য দিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। জাতীয় পার্টি সরকারের একটি অংশ। তাই, দেশের জন্য মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ত্যাগ স্মরণ রাখতেই প্রতি বছর ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের আহ্বান জানাই।
উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ চৌধুরী পাশার সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুব সংহতির আহ্বায়ক কাজী শহীদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (জাফর) কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খবির আহমেদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল হক পাটোয়ারী, কেন্দ্রীয় শ্রমিকনেতা নুর হোসেন, জাতীয় পার্টির গুনবতী ইউনিয়ন আহ্বায়ক জাকির হোসেন জিগির, সদস্য সচিব জানে আলম দোভাষী, আলকরা ইউনিয়ন আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম জহির, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন নেতা আবুল কাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন নেতা নাছির উদ্দিন, বাতিসা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ভুঁইয়া রিপন।