কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিয়মানুযায়ী কোন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে বা অন্য কোন কারণে না থাকলে সহকারী প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে ওই নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে সহকারী শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন নিয়ে এক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়,‘বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় তাকে ভিন্ন অপর কোন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব অর্পণ করা যাবে না। ’
এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত কমিটির সুপারিশ এখনোও বাস্তবায়িত হয়নি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক কোহিনুর বেগমের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক এই বিদ্যালয়কে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রথম সারির স্কুলের তালিকায় নিয়ে আসেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়ের নানা বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ওঠে। সর্বশেষ গত বছরের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকার হিসাব না মেলার অভিযোগ করেন ৪৪ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী। তাঁরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগ করার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১১ লাখ ১১ হাজার টাকা জমা দেন। এরপর তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।
এ বিদ্যালয়ে ৪৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষক। ৯৮ জন খন্ডকালীন শিক্ষক আছে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রভাতী শাখার আবুল কাশেম ও দিবা শাখার রাসেল উদ্দিন মজুমদার মবের কারণে স্কুলে যেতে পারছেন না। প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেন ১২ আগস্ট থেকে বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না। এরপর রোকেয়া বেগমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেওয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করা হয় নুসরাত জাহানকে। এছাড়া দিবা শাখায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয় খন্ডকালীন শিক্ষক আরিফুর রহমানকে ও প্রভাতী শাখায় খন্ডকালীন শিক্ষক নীলিমা আক্তারকে। নিয়মানুযায়ী খন্ডকালীন শিক্ষকেরা সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে যেতে পারেন না। কেউ কেউ খন্ডকালীন এই দুই শিক্ষককে ‘সহকারী পরিচালক’ও বলেন। মুলত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক দ্ব›েদ্ব অচলাবস্থা মডার্ন হাইস্কুলে।
গত ৪ মার্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম কর্মস্থলে যোগ দেন। তিনি যোগদানের পরপরই নিয়মানুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু গত চার মাসেও তিনি দায়িত্ব পাননি। এতে করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা লঙ্ঘন করা হলো।
জানতে চাইলে আদর্শ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ জালাল বলেন, নিয়মানুযায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকলে সহকারী প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন,‘ আগের কমিটি সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। আমি কদিন হলো যোগদান করেছি। এ বিদ্যালয়ে নানা ধরনের সমস্যা আছে। আগে এগুলো সনাক্ত করি। এরপর শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনব।
সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নিয়মানুযায়ী কোন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কর্মস্থলে বা অন্য কোন কারণে না থাকলে সহকারী প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলে ওই নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়ে সহকারী শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন নিয়ে এক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়,‘বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় তাকে ভিন্ন অপর কোন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব অর্পণ করা যাবে না। ’
এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তাঁকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত কমিটির সুপারিশ এখনোও বাস্তবায়িত হয়নি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল প্রতিষ্ঠা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক কোহিনুর বেগমের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক এই বিদ্যালয়কে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে প্রথম সারির স্কুলের তালিকায় নিয়ে আসেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়ের নানা বিষয়ে নানা ধরনের অভিযোগ ওঠে। সর্বশেষ গত বছরের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৭ নভেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকার হিসাব না মেলার অভিযোগ করেন ৪৪ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী। তাঁরা কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড ও কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগ করার পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১১ লাখ ১১ হাজার টাকা জমা দেন। এরপর তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।
এ বিদ্যালয়ে ৪৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারী আছেন। এর মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষক। ৯৮ জন খন্ডকালীন শিক্ষক আছে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রভাতী শাখার আবুল কাশেম ও দিবা শাখার রাসেল উদ্দিন মজুমদার মবের কারণে স্কুলে যেতে পারছেন না। প্রধান শিক্ষক এ কে এম আক্তার হোসেন ১২ আগস্ট থেকে বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না। এরপর রোকেয়া বেগমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেওয়া হয়। পরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করা হয় নুসরাত জাহানকে। এছাড়া দিবা শাখায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয় খন্ডকালীন শিক্ষক আরিফুর রহমানকে ও প্রভাতী শাখায় খন্ডকালীন শিক্ষক নীলিমা আক্তারকে। নিয়মানুযায়ী খন্ডকালীন শিক্ষকেরা সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে যেতে পারেন না। কেউ কেউ খন্ডকালীন এই দুই শিক্ষককে ‘সহকারী পরিচালক’ও বলেন। মুলত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক দ্ব›েদ্ব অচলাবস্থা মডার্ন হাইস্কুলে।
গত ৪ মার্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম কর্মস্থলে যোগ দেন। তিনি যোগদানের পরপরই নিয়মানুযায়ী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু গত চার মাসেও তিনি দায়িত্ব পাননি। এতে করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা লঙ্ঘন করা হলো।
জানতে চাইলে আদর্শ সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ জালাল বলেন, নিয়মানুযায়ী প্রধান শিক্ষক না থাকলে সহকারী প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন,‘ আগের কমিটি সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছে। আমি কদিন হলো যোগদান করেছি। এ বিদ্যালয়ে নানা ধরনের সমস্যা আছে। আগে এগুলো সনাক্ত করি। এরপর শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনব।
সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম কোন ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হননি।