নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক শিশু বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জননী ডাল মিলস অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের সাবেক পরিচালক, মেসার্স চৌধুরী সিন্ডিকেটের অন্যতম স্বত্বাধিকারী নেতা সনজিত রায় চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর প্রতীক আকবর হোসেনÑযিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী এবং পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন-তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন সনজিত রায় চৌধুরী। বীর প্রতীক আকবর হোসেনের নীতি, দেশপ্রেম ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ভ‚মিকা পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী বেবী রায় চৌধুরী, দুই ছেলে শুভজিত রায় চৌধুরী ও সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে রেখে গেছেন। সনজিত রায় চৌধুরী কুমিল্লা পৌরসভার সাবেক ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বার্নাল থিয়েটারের সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী রমেশ চন্দ্র রায় চৌধুরীর দ্বিতীয় ছেলে।
সনজিত রায় চৌধুরী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী নানা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয়তাবাদী হিন্দু দলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। চকবাজার মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আন্তর্জাতিক বলদেব সংঘ কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি, টিক্কারচর মহাশ্মশানের সাধারণ সম্পাদক ও চকবাজার শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক শিশু বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জননী ডাল মিলস অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের সাবেক পরিচালক, মেসার্স চৌধুরী সিন্ডিকেটের অন্যতম স্বত্বাধিকারী নেতা সনজিত রায় চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর প্রতীক আকবর হোসেনÑযিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী, পরিবেশ ও বন মন্ত্রী এবং পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন-তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন সনজিত রায় চৌধুরী। বীর প্রতীক আকবর হোসেনের নীতি, দেশপ্রেম ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ভ‚মিকা পালন করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী বেবী রায় চৌধুরী, দুই ছেলে শুভজিত রায় চৌধুরী ও সঞ্জয় রায় চৌধুরীকে রেখে গেছেন। সনজিত রায় চৌধুরী কুমিল্লা পৌরসভার সাবেক ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বার্নাল থিয়েটারের সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী রমেশ চন্দ্র রায় চৌধুরীর দ্বিতীয় ছেলে।
সনজিত রায় চৌধুরী সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী নানা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয়তাবাদী হিন্দু দলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। চকবাজার মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আন্তর্জাতিক বলদেব সংঘ কুমিল্লা মহানগর শাখার সভাপতি, টিক্কারচর মহাশ্মশানের সাধারণ সম্পাদক ও চকবাজার শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।