বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ফিরেছেন ১১ দিন অনুপস্থিত থাকা তিন শিক্ষক। নিয়োগ জালিয়াতিতে প্রমাণিত সহকারী শিক্ষক মফিজ উদ্দিন এখনো বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরে আসায় প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ দিনের জটিলতা কাটিয়ে বিদ্যালয়ে বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। গতকাল সোমবার তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম সুজনের মবের শিকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিক হাছিনা ইসলামকে পদে ফিরে যেতে আদেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সাথে বহিষ্কৃত শিক্ষক সুজনকে এক মাসের জেল প্রদানের সিদ্ধান্ত দেন আদালত। নিঃশর্ত করজোড় ক্ষমা প্রার্থনা, বিদ্যালয়ের সীমনায় প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে সুজনের এক মাসের জেল মওকুফ করে আদালত। তবে ১৩ দিন অতিক্রম হলেও এখনো বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেননি সুজন। ফলে এখনো বন্ধ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষ।
গতকাল সোমবার বিদ্যালয়ে যোগদান করা শিক্ষকেরা হলেন- সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান, মো. রাসেল, খাদিজা বেগম। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামের যোগদানের পর আতঙ্ক কেটেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ ফিরে আসায় স্বস্তিতে তাঁরা।
বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর একাধিক অভিভাবক জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ শুনে আসতেছি বিদ্যালয়ে নানা সমস্যা। আদালতে এই বিষয়টি নিয়ে মামলা চলেছে। আমরা সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো নিয়ে আতঙ্কে ছিলাম। আদালতের আদেশের পর বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বাচ্চাদের স্বস্তিতে বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারছি।
বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বেড়েছে। সামনে পরীক্ষা। আমরা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করছি। তিনজন শিক্ষক আজ ১১ দিন অনুপস্থিত থাকার পর বিদ্যালয়ে এসেছেন। পাঠদানে মনোযোগ বাড়াতে আমরা নিয়মিত পাঠদান অব্যাহত রেখেছি। সুজন বিদ্যালয়ের সীমানায় আসছে না, তবে সে এখনো প্রধান শিক্ষকের রুমের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেয়নি।

ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ফিরেছেন ১১ দিন অনুপস্থিত থাকা তিন শিক্ষক। নিয়োগ জালিয়াতিতে প্রমাণিত সহকারী শিক্ষক মফিজ উদ্দিন এখনো বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরে আসায় প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ দিনের জটিলতা কাটিয়ে বিদ্যালয়ে বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। গতকাল সোমবার তিন শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম সুজনের মবের শিকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিক হাছিনা ইসলামকে পদে ফিরে যেতে আদেশ দেয় হাইকোর্ট। একই সাথে বহিষ্কৃত শিক্ষক সুজনকে এক মাসের জেল প্রদানের সিদ্ধান্ত দেন আদালত। নিঃশর্ত করজোড় ক্ষমা প্রার্থনা, বিদ্যালয়ের সীমনায় প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তে সুজনের এক মাসের জেল মওকুফ করে আদালত। তবে ১৩ দিন অতিক্রম হলেও এখনো বিদ্যালয়ের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেননি সুজন। ফলে এখনো বন্ধ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষ।
গতকাল সোমবার বিদ্যালয়ে যোগদান করা শিক্ষকেরা হলেন- সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান, মো. রাসেল, খাদিজা বেগম। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামের যোগদানের পর আতঙ্ক কেটেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। স্বাভাবিক পাঠদানের পরিবেশ ফিরে আসায় স্বস্তিতে তাঁরা।
বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর একাধিক অভিভাবক জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ শুনে আসতেছি বিদ্যালয়ে নানা সমস্যা। আদালতে এই বিষয়টি নিয়ে মামলা চলেছে। আমরা সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো নিয়ে আতঙ্কে ছিলাম। আদালতের আদেশের পর বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বাচ্চাদের স্বস্তিতে বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারছি।
বেড়াখলা আবদুল মতিন খসরু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বেড়েছে। সামনে পরীক্ষা। আমরা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করছি। তিনজন শিক্ষক আজ ১১ দিন অনুপস্থিত থাকার পর বিদ্যালয়ে এসেছেন। পাঠদানে মনোযোগ বাড়াতে আমরা নিয়মিত পাঠদান অব্যাহত রেখেছি। সুজন বিদ্যালয়ের সীমানায় আসছে না, তবে সে এখনো প্রধান শিক্ষকের রুমের চাবি ও পাসওয়ার্ড ফিরিয়ে দেয়নি।