নিজস্ব প্রতিবেদক

পদুয়ার বাজার রেলগেট। রেলগেটটি থেকে ৬০০ মিটার উত্তরে যেতে চোখে পড়ে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। স্লিপার ও রেললাইনের সমান্তরাল রেখায় লেগে থাকা রক্তের দাগ শুকিয়ে কিছুটা কালচে আকার ধারণ করেছে। আরও দুইশ মিটার এগোতেই চোখে পড়ে থঠশতে দেখা যায় তিন রঙের দুই জোড়া জুতা। সদর দক্ষিণের দৈয়ারা এলাকা এটি। পদুয়ার বাজার রেলগেট থেকে ৮০০ মিটার দূরে এর অবস্থান।
গত শনিবার ঈদের দিনগত ভোররাত ২টা ৫৫ মিনিটের সময় পদুয়ার বাজার রেলগেটে ঢাকামুখী চট্টগ্রাম মেইলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় লক্ষ্মীপুরগামী সবুজ পরিবহনের একটি বাসের। ওই বাসটিকে মাথায় করে ৮০০ মিটার উত্তরে দৈয়ারা এলাকায় নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে ঘটনাস্থলেই ১২জন নিহত হন।
গতকাল মঙ্গলবার ওই এলাকায় গিয়ে ছোট ছোট কিছু দৃশ্য চোখে পড়ে। ৮০০ মিটার এলাকার পাশের মার্কিং পিলারগুলোর মধ্যে অন্তত তিনটি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। রেলগেটের কাছে ভাঙা কাচ, তারও অদূরে পড়ে আছে দুটি চাকা। প্লাস্টিকের খেলনার মতো তছনছ হয়ে যাওয়া বাসটি দেখতে শতশত মানুষ ভিড় করছেন। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া বাসের ভেতর ছোট দুটি পানির বোতল। ঘটনাস্থলে বিড়াল-কুকুর উচ্ছিষ্ট খাচ্ছে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে রক্তপচা গন্ধ। পুরো পথে কিছু বাসি খাবার চোখে পড়ে।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন আগতরা। চুয়াডাঙ্গা থেকে বাসটি লক্ষ্মীপুরের দিকে যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে আর দেড়শ মিটার সামনে গেলেই বাসটি চলে যেত কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে। কিন্তু রেলগেটে অবহেলায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বাসটি ট্রেনের মাথায় চড়ে চলে যায় ৮০০ মিটার উত্তরের দৈয়ারা এলাকায়। আর রেখে যায় দগদগে ক্ষত। এই ক্ষত সারাজীবন বয়ে বেড়াবে নিহতের পরিবার ও দুর্ঘটনায় আহতরা।

পদুয়ার বাজার রেলগেট। রেলগেটটি থেকে ৬০০ মিটার উত্তরে যেতে চোখে পড়ে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। স্লিপার ও রেললাইনের সমান্তরাল রেখায় লেগে থাকা রক্তের দাগ শুকিয়ে কিছুটা কালচে আকার ধারণ করেছে। আরও দুইশ মিটার এগোতেই চোখে পড়ে থঠশতে দেখা যায় তিন রঙের দুই জোড়া জুতা। সদর দক্ষিণের দৈয়ারা এলাকা এটি। পদুয়ার বাজার রেলগেট থেকে ৮০০ মিটার দূরে এর অবস্থান।
গত শনিবার ঈদের দিনগত ভোররাত ২টা ৫৫ মিনিটের সময় পদুয়ার বাজার রেলগেটে ঢাকামুখী চট্টগ্রাম মেইলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় লক্ষ্মীপুরগামী সবুজ পরিবহনের একটি বাসের। ওই বাসটিকে মাথায় করে ৮০০ মিটার উত্তরে দৈয়ারা এলাকায় নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে ঘটনাস্থলেই ১২জন নিহত হন।
গতকাল মঙ্গলবার ওই এলাকায় গিয়ে ছোট ছোট কিছু দৃশ্য চোখে পড়ে। ৮০০ মিটার এলাকার পাশের মার্কিং পিলারগুলোর মধ্যে অন্তত তিনটি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। রেলগেটের কাছে ভাঙা কাচ, তারও অদূরে পড়ে আছে দুটি চাকা। প্লাস্টিকের খেলনার মতো তছনছ হয়ে যাওয়া বাসটি দেখতে শতশত মানুষ ভিড় করছেন। দুমড়েমুচড়ে যাওয়া বাসের ভেতর ছোট দুটি পানির বোতল। ঘটনাস্থলে বিড়াল-কুকুর উচ্ছিষ্ট খাচ্ছে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে রক্তপচা গন্ধ। পুরো পথে কিছু বাসি খাবার চোখে পড়ে।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন আগতরা। চুয়াডাঙ্গা থেকে বাসটি লক্ষ্মীপুরের দিকে যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে আর দেড়শ মিটার সামনে গেলেই বাসটি চলে যেত কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে। কিন্তু রেলগেটে অবহেলায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বাসটি ট্রেনের মাথায় চড়ে চলে যায় ৮০০ মিটার উত্তরের দৈয়ারা এলাকায়। আর রেখে যায় দগদগে ক্ষত। এই ক্ষত সারাজীবন বয়ে বেড়াবে নিহতের পরিবার ও দুর্ঘটনায় আহতরা।