মোহাম্মদ শরীফ

কুমিল্লা ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন সেদিন রাতে সিএনজিতে করে বাসার কাছে এসেছিল। এসে দেখেন গেইট তালা। রেসর্কোসের বাসার নিচে এসে বাবাকে একাধিক বার ফোন করেছিল। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় ঘুমে ছিলেন বাবা। তাই মেয়ের ফোন রিসিভ করেননি। পরে চালকের সাথে বেড়িয়ে পড়ে তাজমিন।
তাজমিনের প্রেমিক রাজুর বক্তব্য বেড়িয়ে এসেছে এমন অবাক করা তথ্য। এক সাক্ষাৎকারে রাজু বলেন, ‘পরিচয়ের তিন মাস পর সম্পর্কে জড়ায় রাজু তাজমিন। ৪ তারিখ পরিবারের সাথে রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক বান্ধবীর বাসায় যায় তাজমিন। সেখানে গিয়ে রাজুকে জানায় বাসা থেকে বের হয়ে আসার খবর। এরই সাথে রাজুর সাক্ষাৎ করতে চায় বলে। রাজু বলে এতটা পথ তুমি কিভাবে একা আসবে। তাজমিন জানায় লোকেশন দিলে সে একাই আসতে পারবে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক রাত থাকে। পরের দিন সন্ধ্যায় বাসে উঠে সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌছে। আমি মেঘনা রিসোটে বুকিং দিয়েছিলাম। আমরা সেখানে এক রাত থাকি। পরে দেখি ওর বাবা মা তাজমিনকে প্রচুর ফোন দিতে থাকে। পরে বলেছি তুমি চলে যাও। ৭ তারিখ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমি তাকে একটি বাসে তুলে দেই। এরপর কুমিল্লা পৌছা পর্যন্ত সে আমার সাথে লাইভ লোকেশনে ছিল। কুমিল্লা যাওয়ার পর তাজমিন রাজুকে জানায়, আমি বাড়িতে গেছি। বাড়ির মেইন গেইট বন্ধ করে দিছে। আমি বাসায় ডুকতে পারতেছিনা। আব্বুকে কল দিয়েছি, আব্বুও কল ধরতেছে না। তখন রাজু বলে তুমি ঐখানে থাকো। অন্য কাউকে দিয়ে তোমার আব্বুকে ডাকাও। কিছুক্ষণ বসো এখানে। এর উত্তরে রাজুকে তাজমিন বলে, আমি আমার এক ফ্রেন্ডের আব্বুকে পাইছি, আমি ওনার সাথে যাবো আমার ফ্রেন্ডের বাসায়। সকালে আমি চলে আসব বাসায়। এই বলে ফোন কেটে দেয় তাজমিন। এরপর তাজমিনকে ভিডিও কল দেয় রাজু। ভিডিও কলে রাজু দেখে তাজমিন সিএনজিতে উঠেছে। রাজু বলে, তুমি সিএনজি থেকে নেমে যাও। তোমার বাসার সামনে গিয়ে বস। এই কথা বার বার বলার পর রাজুর কল কেটে দেয় তাজমিন। পরে লাইভ লোকেশন থেকেও বের করে দেয় রাজুকে। পরে রাজুকে মেসেজ লিখে, তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি আমার এক আঙ্কেলের বাসায় যাচ্ছি। ওখানে থাকব, কালকে বাসায় চলে যাব।

কুমিল্লা ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন সেদিন রাতে সিএনজিতে করে বাসার কাছে এসেছিল। এসে দেখেন গেইট তালা। রেসর্কোসের বাসার নিচে এসে বাবাকে একাধিক বার ফোন করেছিল। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় ঘুমে ছিলেন বাবা। তাই মেয়ের ফোন রিসিভ করেননি। পরে চালকের সাথে বেড়িয়ে পড়ে তাজমিন।
তাজমিনের প্রেমিক রাজুর বক্তব্য বেড়িয়ে এসেছে এমন অবাক করা তথ্য। এক সাক্ষাৎকারে রাজু বলেন, ‘পরিচয়ের তিন মাস পর সম্পর্কে জড়ায় রাজু তাজমিন। ৪ তারিখ পরিবারের সাথে রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক বান্ধবীর বাসায় যায় তাজমিন। সেখানে গিয়ে রাজুকে জানায় বাসা থেকে বের হয়ে আসার খবর। এরই সাথে রাজুর সাক্ষাৎ করতে চায় বলে। রাজু বলে এতটা পথ তুমি কিভাবে একা আসবে। তাজমিন জানায় লোকেশন দিলে সে একাই আসতে পারবে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক রাত থাকে। পরের দিন সন্ধ্যায় বাসে উঠে সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌছে। আমি মেঘনা রিসোটে বুকিং দিয়েছিলাম। আমরা সেখানে এক রাত থাকি। পরে দেখি ওর বাবা মা তাজমিনকে প্রচুর ফোন দিতে থাকে। পরে বলেছি তুমি চলে যাও। ৭ তারিখ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমি তাকে একটি বাসে তুলে দেই। এরপর কুমিল্লা পৌছা পর্যন্ত সে আমার সাথে লাইভ লোকেশনে ছিল। কুমিল্লা যাওয়ার পর তাজমিন রাজুকে জানায়, আমি বাড়িতে গেছি। বাড়ির মেইন গেইট বন্ধ করে দিছে। আমি বাসায় ডুকতে পারতেছিনা। আব্বুকে কল দিয়েছি, আব্বুও কল ধরতেছে না। তখন রাজু বলে তুমি ঐখানে থাকো। অন্য কাউকে দিয়ে তোমার আব্বুকে ডাকাও। কিছুক্ষণ বসো এখানে। এর উত্তরে রাজুকে তাজমিন বলে, আমি আমার এক ফ্রেন্ডের আব্বুকে পাইছি, আমি ওনার সাথে যাবো আমার ফ্রেন্ডের বাসায়। সকালে আমি চলে আসব বাসায়। এই বলে ফোন কেটে দেয় তাজমিন। এরপর তাজমিনকে ভিডিও কল দেয় রাজু। ভিডিও কলে রাজু দেখে তাজমিন সিএনজিতে উঠেছে। রাজু বলে, তুমি সিএনজি থেকে নেমে যাও। তোমার বাসার সামনে গিয়ে বস। এই কথা বার বার বলার পর রাজুর কল কেটে দেয় তাজমিন। পরে লাইভ লোকেশন থেকেও বের করে দেয় রাজুকে। পরে রাজুকে মেসেজ লিখে, তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি আমার এক আঙ্কেলের বাসায় যাচ্ছি। ওখানে থাকব, কালকে বাসায় চলে যাব।