একই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বাঙ্গরায় একই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মাসুদ মিয়া (৪০) নামের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ভাগিনা মিলন মিয়া ওরফে শিপন মিয়ার (২৩) বিরুদ্ধে। উপজেলার কোড়েরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ মিয়া কোড়েরপাড় গ্রামের প্রয়াত হাসন আলীর ছেলে। তিনি নিজ গ্রামে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত শিপন মিয়া একই উপজেলার কোরবানপুর গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে। বাঙ্গরা বাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে মাসুদ মিয়া তাঁর দোকানের পাশের একটি মুদি দোকানে গেলে ভাগিনা শিপন তাকে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে যান। দোকান থেকে কিছু দূরে নিয়ে গিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত শুরু করেন। এ সময় দুজনের ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে শিপন পালিয়ে যান। রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মাসুদ মিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাইয়ের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে মাসুদ মিয়ার স্ত্রী তিন সন্তান রেখে তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি নিজের ভাঙারির দোকানেই রাত কাটাতেন। প্রায় তিন বছর আগে একই উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের শাহেদাগোপ গ্রামের দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
দেলোয়ারা বেগমের দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে মামার কাছ থেকে ওই নারীর মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন শিপন। পরে তিনিও ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে মামা-ভাগিনার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
পরিবারের দাবি, গত ১৫ দিন আগে ওই নারীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্দেশ্যে সিপন তাঁর মামা মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে গত ২০ অক্টোবর শিপনকে মারধর করেন মাসুদ মিয়া। এরপর থেকে শিপন বিভিন্নজনের কাছে ওই নারীকে পাওয়ার জন্য মামাকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বাঙ্গরা বাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লার বাঙ্গরায় একই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মাসুদ মিয়া (৪০) নামের এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ভাগিনা মিলন মিয়া ওরফে শিপন মিয়ার (২৩) বিরুদ্ধে। উপজেলার কোড়েরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ মিয়া কোড়েরপাড় গ্রামের প্রয়াত হাসন আলীর ছেলে। তিনি নিজ গ্রামে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত শিপন মিয়া একই উপজেলার কোরবানপুর গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে। বাঙ্গরা বাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে মাসুদ মিয়া তাঁর দোকানের পাশের একটি মুদি দোকানে গেলে ভাগিনা শিপন তাকে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে যান। দোকান থেকে কিছু দূরে নিয়ে গিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত শুরু করেন। এ সময় দুজনের ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে শিপন পালিয়ে যান। রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মাসুদ মিয়ার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাইয়ের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমের জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে মাসুদ মিয়ার স্ত্রী তিন সন্তান রেখে তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি নিজের ভাঙারির দোকানেই রাত কাটাতেন। প্রায় তিন বছর আগে একই উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের শাহেদাগোপ গ্রামের দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
দেলোয়ারা বেগমের দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে মামার কাছ থেকে ওই নারীর মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন শিপন। পরে তিনিও ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে মামা-ভাগিনার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
পরিবারের দাবি, গত ১৫ দিন আগে ওই নারীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্দেশ্যে সিপন তাঁর মামা মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে গত ২০ অক্টোবর শিপনকে মারধর করেন মাসুদ মিয়া। এরপর থেকে শিপন বিভিন্নজনের কাছে ওই নারীকে পাওয়ার জন্য মামাকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বাঙ্গরা বাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।