বিএনপির অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর এবং উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহিরসহ হোমনা ও তিতাস উপজেলার ১০ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে কুমিল্লা আদালত। এর মধ্যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি মো. জুয়েল রানাও রয়েছেন।
আজ রোববার দ্রুত বিচার আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সুলতানা মলির আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিতাস উপজেলার নাগেরকান্দিতে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছিল। এ ছাড়া ঘটনার সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগও রয়েছে। এ মামলায় জামিন চাইতে কুমিল্লা আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
এদিকে জহিরুল হক জহরের অনুসারীরা এ ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় জহরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জহর হোমনা উপজেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনিও বিএনপির রাজনীতি করেন।
সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার ছেলে কোনোভাবেই জড়িত না। তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের কাছে মামলাটির পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর এবং উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহিরসহ হোমনা ও তিতাস উপজেলার ১০ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেছে কুমিল্লা আদালত। এর মধ্যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি মো. জুয়েল রানাও রয়েছেন।
আজ রোববার দ্রুত বিচার আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবিদা সুলতানা মলির আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিতাস উপজেলার নাগেরকান্দিতে বিএনপির কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছিল। এ ছাড়া ঘটনার সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগও রয়েছে। এ মামলায় জামিন চাইতে কুমিল্লা আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
এদিকে জহিরুল হক জহরের অনুসারীরা এ ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেলিম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় জহরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জহর হোমনা উপজেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনিও বিএনপির রাজনীতি করেন।
সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার ছেলে কোনোভাবেই জড়িত না। তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের কাছে মামলাটির পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।