নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বড়া ফুলগাঁও গ্রামের মো. হুমায়ূন কবিরের দুইটি মামলায় ১৪ বছরের সাজা হয়েছিল। এর থেকে রক্ষা পেতে ২০ বছর ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার টেটেশ্বর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হুমায়ূন কবির (৫২) নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের বড়া ফুলগাঁও গ্রামের মরহুম আনু মিয়ার ছেলে।
নাঙ্গলকোট থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) শাহাদাত হোসেন বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে উপপরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরশুরাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেটেশ্বর বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হুমায়ূন কবিরকে গ্রেপ্তার করে নাঙ্গলকোট থানায় নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায় দায়ের করা দুটি মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ওই সাজা থেকে রক্ষা পেতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন তিনি। আজ রোববার তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বড়া ফুলগাঁও গ্রামের মো. হুমায়ূন কবিরের দুইটি মামলায় ১৪ বছরের সাজা হয়েছিল। এর থেকে রক্ষা পেতে ২০ বছর ধরে পলাতক ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার টেটেশ্বর বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হুমায়ূন কবির (৫২) নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের বড়া ফুলগাঁও গ্রামের মরহুম আনু মিয়ার ছেলে।
নাঙ্গলকোট থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) শাহাদাত হোসেন বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে উপপরিদর্শক (এসআই) সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরশুরাম থানা পুলিশের সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেটেশ্বর বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হুমায়ূন কবিরকে গ্রেপ্তার করে নাঙ্গলকোট থানায় নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, ‘হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং দণ্ডবিধির ৩০৭ ও ৩২৬ ধারায় দায়ের করা দুটি মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ওই সাজা থেকে রক্ষা পেতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন তিনি। আজ রোববার তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে।’