মো. শরীফ উদ্দিন, বরুড়া

কুমিল্লার বরুড়ায় সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে কৃষক সমাজ। সবজির জন্য সুপরিচিত এলাকা হচ্ছে বরুড়া উপজেলার উত্তর পুর্বাঞ্চল অঞ্চল। এর মধ্যে রয়েছে খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নের মহেশপুর, রাজামারা, মুগুজী, হরিপুর, ভবানীপুর ইউনিয়নের বাতাইছড়ি, ভৈষখলা, এগারোগ্রাম, আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি, রাজাপুর, মুরাবাজাল, আগানগর, মির্জানগর, খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের আরিফপুর, মস্কিপুর, খোশবাস, রামমোহন, দক্ষিণ হোসেনপুর, দেওয়ানগর, কেমতলী সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশি সবজি চাষ হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, কুমিল্লার পার্শ্ববর্তী চান্দিনা ও বুড়িচং উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থান বরুড়া উপজেলার । এ অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজার নিকটতম এলাকা হওয়ায় কৃষকের সবজি উৎপাদন করে খুব দ্রুত দেশের অন্যান্য এলাকায় রপ্তানির করা যায়। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় বিভিন্ন সৃজনে শাকসবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষকেরা। বরুড়ার সবজি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা ছোট-বড় ট্রাক নিয়ে বরুড়া উপজেলার উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন গ্রামে ও বাজারে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন দামে টাটকা সবজি ক্রয় করে রপ্তানি করেন।

লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে বরুড়া উপজেলা এলাকায় সাধারণত বন্যা দুর্গত এলাকার না হওয়ায় ধান চাষের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি চাষ হয় যার মধ্যে রয়েছে কচুর লতি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাক, লাল শাক, শিম, বরবটি, লাউ, কুমড়া, মুলা, ধনিয়া পাতা, টমেটো, আলু, সহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ যাচ্ছে।
সরাসরি খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের বাঁশতলী ও দক্ষিণ হোসেনপুর গ্রামে মাঠ ঘুরে জানা যায়, স্থানীয় কৃষক মো. জাহাঙ্গীর আলম এক সময় অন্যের জমিতে চাষ করে ও দিনমজুরি দিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ করতেন। তিনি এক সময় মানুষের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে তিন ফসলি ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমে শাকসবজি চাষ করতেন। বর্তমানে তিনি শাকসবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছেন পরিবারের সুখের জন্য বাড়ী নির্মান করতে সক্ষম হয়েছেন।

এ বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন , এক সময় আমার পরিবারের খুব অভাব অনটন ছিল এলাকার মানুষের পরামর্শে অন্যের জমি বর্গা চাষ করে ছেলে মেয়ের পড়াশোনা সহ পরিবারের ভরনপোষণ দিয়েছি। বর্তমানে আমি স্বাবলম্বী হয়ে ছেলে বিদেশে পাঠিয়েছি এবং ৪ রোমের একটি বিল্ডিং তৈরি করে আমি সুখি।
তিনি আরও বলেন, ৬ শতক জমিতে দেশি ৪ কেজি হাইব্রিড ২ কেজি দনিয়া লাগানো যায়। ২ কেজি দনিয়া ৬ শত টাকা খরচ করলে ১৫ শত থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। এক গন্ডা জমিতে দনিয়া পাতা চাষ করে বিক্রি হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার বিক্রি করা যায়।

এ বছর তিনি ফুলকপি, বাঁধাকপি, দনিয়া পাতা, মরিচ, মুলা, লাউ, লালশাক, পালংশাক, সহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ করে বর্তমানে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

কুমিল্লার বরুড়ায় সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে কৃষক সমাজ। সবজির জন্য সুপরিচিত এলাকা হচ্ছে বরুড়া উপজেলার উত্তর পুর্বাঞ্চল অঞ্চল। এর মধ্যে রয়েছে খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়নের মহেশপুর, রাজামারা, মুগুজী, হরিপুর, ভবানীপুর ইউনিয়নের বাতাইছড়ি, ভৈষখলা, এগারোগ্রাম, আগানগর ইউনিয়নের সরাফতি, রাজাপুর, মুরাবাজাল, আগানগর, মির্জানগর, খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের আরিফপুর, মস্কিপুর, খোশবাস, রামমোহন, দক্ষিণ হোসেনপুর, দেওয়ানগর, কেমতলী সহ বিভিন্ন এলাকায় বেশি সবজি চাষ হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, কুমিল্লার পার্শ্ববর্তী চান্দিনা ও বুড়িচং উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থান বরুড়া উপজেলার । এ অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার বাজার নিকটতম এলাকা হওয়ায় কৃষকের সবজি উৎপাদন করে খুব দ্রুত দেশের অন্যান্য এলাকায় রপ্তানির করা যায়। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় বিভিন্ন সৃজনে শাকসবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষকেরা। বরুড়ার সবজি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা ছোট-বড় ট্রাক নিয়ে বরুড়া উপজেলার উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন গ্রামে ও বাজারে সরাসরি উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন দামে টাটকা সবজি ক্রয় করে রপ্তানি করেন।

লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে বরুড়া উপজেলা এলাকায় সাধারণত বন্যা দুর্গত এলাকার না হওয়ায় ধান চাষের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি চাষ হয় যার মধ্যে রয়েছে কচুর লতি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং শাক, লাল শাক, শিম, বরবটি, লাউ, কুমড়া, মুলা, ধনিয়া পাতা, টমেটো, আলু, সহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ যাচ্ছে।
সরাসরি খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের বাঁশতলী ও দক্ষিণ হোসেনপুর গ্রামে মাঠ ঘুরে জানা যায়, স্থানীয় কৃষক মো. জাহাঙ্গীর আলম এক সময় অন্যের জমিতে চাষ করে ও দিনমজুরি দিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ করতেন। তিনি এক সময় মানুষের কাছ থেকে জমি বর্গা নিয়ে তিন ফসলি ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন মৌসুমে শাকসবজি চাষ করতেন। বর্তমানে তিনি শাকসবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছেন পরিবারের সুখের জন্য বাড়ী নির্মান করতে সক্ষম হয়েছেন।

এ বিষয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন , এক সময় আমার পরিবারের খুব অভাব অনটন ছিল এলাকার মানুষের পরামর্শে অন্যের জমি বর্গা চাষ করে ছেলে মেয়ের পড়াশোনা সহ পরিবারের ভরনপোষণ দিয়েছি। বর্তমানে আমি স্বাবলম্বী হয়ে ছেলে বিদেশে পাঠিয়েছি এবং ৪ রোমের একটি বিল্ডিং তৈরি করে আমি সুখি।
তিনি আরও বলেন, ৬ শতক জমিতে দেশি ৪ কেজি হাইব্রিড ২ কেজি দনিয়া লাগানো যায়। ২ কেজি দনিয়া ৬ শত টাকা খরচ করলে ১৫ শত থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হয়। এক গন্ডা জমিতে দনিয়া পাতা চাষ করে বিক্রি হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার বিক্রি করা যায়।

এ বছর তিনি ফুলকপি, বাঁধাকপি, দনিয়া পাতা, মরিচ, মুলা, লাউ, লালশাক, পালংশাক, সহ বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ করে বর্তমানে স্বাবলম্বী হয়েছেন।