গাজীউল হক সোহাগ

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পুর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বরুড়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম কোন ব্যক্তি মন্ত্রী হলেন। ৭৮ বছর পর বরুড়াবাসী প্রথমবারের মতো মন্ত্রী পেলো। ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ এই থানা প্রতিষ্ঠা হয়। সুমন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরুড়ার ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতে জয়ী হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে কায়কোবাদ ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে পরাজিত করে এমপি হয়েছিলেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। এরপর তাঁকে বিএনপি সরকার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী করেছিল। তিনি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৩০ বছর পর এবার আবার কুমিল্লার বরুড়া থেকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলো।

জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক। তিনি জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনে একমাত্র বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমনই কোন ভোটকেন্দ্রে হারেননি। কুমিল্লা-৮( বরুড়া) আসনের ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতেই তিনি জয়ী হয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাকারিয়া তাহের সুমন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মু. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। সুমন এক লাখ ২৪ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সুমন এ নিয়ে দুইবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তাঁর বাবা এ কে এম আবু তাহের সংসদ সদস্য ছিলেন। সুমন চারবার নির্বাচন করে দুইবার জয়লাভ করেন। দুইবার হারেন।

জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, গত ৩৫ বছর ধরে বরুড়ার মাটিতে আমাদের পরিবার কাজ করছে। এবার আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গেছেন। মহিলারা আমাকে বিপুল পরিমাণ ভোট দিয়েছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে ভোট পেয়েছি। সবাই সম্মিলিতভাবে পরিশ্রম করায় কোনকেন্দ্রে হারিনি। এটা একদিনের অর্জন নয়। আগামীতেও এটা ধরে রাখতে হবে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপিকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করেছি। নাঙ্গলকোটে গফুর ভূঁইয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসন করেছি। লাকসামে আনোয়ার উল আজিম ও মো. আবুল কালামের দ্বন্দ্ব নিরসনে প্রথমবার কাজ করেছি। পরে মো. আবুল কালাম ও সামিরা আজিম দোলার মতবিরোধও দূও করা হয়।
সুমনের বাড়ি বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি অর্জন করেন। সুমন ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। তিনি পোশাক শিল্প কারখানা করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার কর্মী আছে। তিনি সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে চার নম্বর ধনী। সর্বোচ্চ আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ায় প্রথম।
জাকারিয়া তাহের সুমনের সহধর্মিনী নাজনীন আহমেদ বলেন, পুরো জেলায় সুমন পরিশ্রম করেছে। তাঁর অর্জনে আমরা আনন্দিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন যুগ ধরে বংশ পরম্পরায় সুমনের পরিবার বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যাচ্ছেন। বিরোধী দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের পর বরুড়া উপজেলার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেশির ভাগই ছিল বিএনপির। দলের প্রার্থীদের জেতাতে তিনি ছিলেন সাংগঠনিকভাবে বেশ তৎপর, তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন। এই কারণে বরুড়ার পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ও আস্থার প্রতীক জাকারিয়া তাহের সুমন।
এদিকে গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। এরপর তিনি কুমিল্লার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১০টি উপজেলা, একটি মহানগর, চারটি পৌরসভায় তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করেন। এতে করে দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে। নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে আস্থা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি হয়েছেন।

বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছেন জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি সংগঠন করে রাজনীতি করছেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার সাফল্যে আমরা মহাখুশি।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন,‘ দলের চেয়ারম্যান মহোদয় আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন। আমি সেটা ধরে রাখব।’

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পুর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বরুড়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম কোন ব্যক্তি মন্ত্রী হলেন। ৭৮ বছর পর বরুড়াবাসী প্রথমবারের মতো মন্ত্রী পেলো। ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ এই থানা প্রতিষ্ঠা হয়। সুমন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরুড়ার ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতে জয়ী হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে কায়কোবাদ ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে পরাজিত করে এমপি হয়েছিলেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। এরপর তাঁকে বিএনপি সরকার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী করেছিল। তিনি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ওই দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ৩০ বছর পর এবার আবার কুমিল্লার বরুড়া থেকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী হলো।

জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক। তিনি জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা জেলার ১১ টি সংসদীয় আসনে একমাত্র বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমনই কোন ভোটকেন্দ্রে হারেননি। কুমিল্লা-৮( বরুড়া) আসনের ১০৫ টি ভোটকেন্দ্রের সব কয়টিতেই তিনি জয়ী হয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাকারিয়া তাহের সুমন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মু. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট। সুমন এক লাখ ২৪ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে সুমন এ নিয়ে দুইবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। এর আগে ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তাঁর বাবা এ কে এম আবু তাহের সংসদ সদস্য ছিলেন। সুমন চারবার নির্বাচন করে দুইবার জয়লাভ করেন। দুইবার হারেন।

জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, গত ৩৫ বছর ধরে বরুড়ার মাটিতে আমাদের পরিবার কাজ করছে। এবার আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গেছেন। মহিলারা আমাকে বিপুল পরিমাণ ভোট দিয়েছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাকে ভোট দিয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে ভোট পেয়েছি। সবাই সম্মিলিতভাবে পরিশ্রম করায় কোনকেন্দ্রে হারিনি। এটা একদিনের অর্জন নয়। আগামীতেও এটা ধরে রাখতে হবে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপিকে ঢেলে সাজানোর জন্য কাজ করেছি। নাঙ্গলকোটে গফুর ভূঁইয়া ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসন করেছি। লাকসামে আনোয়ার উল আজিম ও মো. আবুল কালামের দ্বন্দ্ব নিরসনে প্রথমবার কাজ করেছি। পরে মো. আবুল কালাম ও সামিরা আজিম দোলার মতবিরোধও দূও করা হয়।
সুমনের বাড়ি বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী গ্রামে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি অর্জন করেন। সুমন ১৯৬৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। তিনি পোশাক শিল্প কারখানা করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার কর্মী আছে। তিনি সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে চার নম্বর ধনী। সর্বোচ্চ আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ায় প্রথম।
জাকারিয়া তাহের সুমনের সহধর্মিনী নাজনীন আহমেদ বলেন, পুরো জেলায় সুমন পরিশ্রম করেছে। তাঁর অর্জনে আমরা আনন্দিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন যুগ ধরে বংশ পরম্পরায় সুমনের পরিবার বরুড়া উপজেলার মানুষের জন্য দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যাচ্ছেন। বিরোধী দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের পর বরুড়া উপজেলার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মেয়র, কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেশির ভাগই ছিল বিএনপির। দলের প্রার্থীদের জেতাতে তিনি ছিলেন সাংগঠনিকভাবে বেশ তৎপর, তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন। এই কারণে বরুড়ার পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে অসম্ভব জনপ্রিয় ও আস্থার প্রতীক জাকারিয়া তাহের সুমন।
এদিকে গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি জাকারিয়া তাহের সুমন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হন। এরপর তিনি কুমিল্লার ছয়টি সংসদীয় আসনের ১০টি উপজেলা, একটি মহানগর, চারটি পৌরসভায় তৃণমূল থেকে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাই করেন। এতে করে দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে। নেতাকর্মীদের মধ্যে তাঁকে ঘিরে আস্থা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি হয়েছেন।

বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জহিরুল হক স্বপন বলেন, কুমিল্লার ১১ টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছেন জাকারিয়া তাহের সুমন। তিনি সংগঠন করে রাজনীতি করছেন। তাঁর মন্ত্রী হওয়ার সাফল্যে আমরা মহাখুশি।
জানতে চাইলে জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন,‘ দলের চেয়ারম্যান মহোদয় আমার প্রতি আস্থা রেখেছেন। আমি সেটা ধরে রাখব।’