সাজিদুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ এ আইন বিভাগকে ৯ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গণিত বিভাগ। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দুপুর দুইটায় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হয়েছেন আইন বিভাগের আবু নূরে মুস্তাক এবং ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ হয়েছেন গণিত বিভাগের ফাহিম চৌধুরী। এছাড়া সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন গণিত বিভাগের রিয়াদ উদ্দীন শাকিব এবং সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি একই বিভাগের অভিজিৎ বনিক।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও ব্যক্তিগত সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী ট্রফি তুলে দেন। এ সময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করা খেলোয়াড়রা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

ম্যান অব দ্য ফাইনাল ফাহিম বলেন, আমি এই নিয়ে চারটি টুর্নামেন্ট খেলেছি। এটি ছিল আমার শেষ টুর্নামেন্ট। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ টুর্নামেন্টে এসে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি এবং আমি ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হয়েছি। এর আগে একবার সেমিফাইনাল খেলেছিলাম এবং আইন বিভাগের কাছেই হেরেছিলাম। চ্যাম্পিয়ন হওয়া এবং এই অর্জন, সব মিলিয়ে আমি ও আমার দল খুবই খুশি।

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট আবু নূরে মুস্তাক বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়া আমার জন্য গর্বের। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, পুরো দলের সম্মিলিত পরিশ্রম ও সমর্থনের ফল। আমি এই অর্জন আমার দলকে উৎসর্গ করছি।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রিয়াদ উদ্দীন শাকিব বলেন, প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ। এবারের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করতে পেরেছি, যা আমার জন্য বড় অর্জন। আমাকে অনুপ্রেরণা ও সাহস জোগানোর জন্য আমার দলকে ধন্যবাদ। সবচেয়ে বড় আনন্দ, আমার বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয় সবার।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি অভিজিৎ বনিক বলেন, ছয় বছরের চেষ্টার পর শেষবারে এসে বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন করার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। শেষটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। ভবিষ্যতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আরও জাঁকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বলে আশা করি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ এ আইন বিভাগকে ৯ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গণিত বিভাগ। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দুপুর দুইটায় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
টুর্নামেন্টে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হয়েছেন আইন বিভাগের আবু নূরে মুস্তাক এবং ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ হয়েছেন গণিত বিভাগের ফাহিম চৌধুরী। এছাড়া সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন গণিত বিভাগের রিয়াদ উদ্দীন শাকিব এবং সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি একই বিভাগের অভিজিৎ বনিক।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও ব্যক্তিগত সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী ট্রফি তুলে দেন। এ সময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করা খেলোয়াড়রা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

ম্যান অব দ্য ফাইনাল ফাহিম বলেন, আমি এই নিয়ে চারটি টুর্নামেন্ট খেলেছি। এটি ছিল আমার শেষ টুর্নামেন্ট। আলহামদুলিল্লাহ, শেষ টুর্নামেন্টে এসে আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়েছি এবং আমি ম্যান অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হয়েছি। এর আগে একবার সেমিফাইনাল খেলেছিলাম এবং আইন বিভাগের কাছেই হেরেছিলাম। চ্যাম্পিয়ন হওয়া এবং এই অর্জন, সব মিলিয়ে আমি ও আমার দল খুবই খুশি।

ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট আবু নূরে মুস্তাক বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়া আমার জন্য গর্বের। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, পুরো দলের সম্মিলিত পরিশ্রম ও সমর্থনের ফল। আমি এই অর্জন আমার দলকে উৎসর্গ করছি।
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রিয়াদ উদ্দীন শাকিব বলেন, প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ। এবারের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান করতে পেরেছি, যা আমার জন্য বড় অর্জন। আমাকে অনুপ্রেরণা ও সাহস জোগানোর জন্য আমার দলকে ধন্যবাদ। সবচেয়ে বড় আনন্দ, আমার বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এই জয় সবার।

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি অভিজিৎ বনিক বলেন, ছয় বছরের চেষ্টার পর শেষবারে এসে বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন করার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পাশাপাশি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির স্বীকৃতি পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। শেষটা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। ভবিষ্যতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আরও জাঁকজমকপূর্ণ টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বলে আশা করি।