নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা জেলা হোমনায় ঘরের ভেতর প্রবাসীর স্ত্রী, সন্তান ও তাঁর ভাইয়ের সন্তানসহ তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-মনিপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী(৩২), তাঁর ৪ বছরের ছেলে হোসাইন ও তাঁর ভাই আবদুস সাত্তারের ছেলে ৫ বছরের জোবায়ের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা জহিরুল ইসামের পরিবোরের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তাদের খোঁজ নেন। এক পর্যায়ে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে তারা পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, কে বা কারা তাদের গলা কেটে হত্যা করে। বসতঘরের তিন কক্ষে তিনটি লাশ রেখে চলে যায়। সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

কুমিল্লা জেলা হোমনায় ঘরের ভেতর প্রবাসীর স্ত্রী, সন্তান ও তাঁর ভাইয়ের সন্তানসহ তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন-মনিপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী(৩২), তাঁর ৪ বছরের ছেলে হোসাইন ও তাঁর ভাই আবদুস সাত্তারের ছেলে ৫ বছরের জোবায়ের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা জহিরুল ইসামের পরিবোরের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তাদের খোঁজ নেন। এক পর্যায়ে জানালা দিয়ে ঘরের ভেতরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে তারা পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, কে বা কারা তাদের গলা কেটে হত্যা করে। বসতঘরের তিন কক্ষে তিনটি লাশ রেখে চলে যায়। সেগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।