ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়াকে ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে উপজেলায় উন্নীত করা হলেও প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পরেও সেখানে স্থাপন করা হয়নি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে উপজেলাবাসী। ছোট-বড় অগ্নিকাণ্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।
উপজেলা সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজার, দোকানপাট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক-বিমা এবং সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ চরম অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জরুরি সেবার জন্য ভরসা করতে হয় পার্শ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলা কিংবা কুমিল্লা সদর ফায়ার সার্ভিসের ওপর। দূরত্ব বেশি হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই আগুনে পুড়ে যায় অধিকাংশ সম্পদ।
স্থানীয় বাসিন্দা কাজল সরকার বলেন, উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আমরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। বুড়িচং থেকে আসতে আসতে সবকিছু ছাই হয়ে যায়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন জানান, প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডে বিভিন্ন হাট-বাজার ও বাড়িঘরে কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ব্রাহ্মণপাড়ায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন জরুরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, ব্রাহ্মণপাড়ায় ফায়ার সার্ভিস স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
উপজেলাবাসীর দাবি—ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হোক।
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে সমস্যা থাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করতে দেরি হচ্ছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়াকে ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে উপজেলায় উন্নীত করা হলেও প্রতিষ্ঠার ৪২ বছর পরেও সেখানে স্থাপন করা হয়নি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে উপজেলাবাসী। ছোট-বড় অগ্নিকাণ্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।
উপজেলা সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজার, দোকানপাট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক-বিমা এবং সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ চরম অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জরুরি সেবার জন্য ভরসা করতে হয় পার্শ্ববর্তী বুড়িচং উপজেলা কিংবা কুমিল্লা সদর ফায়ার সার্ভিসের ওপর। দূরত্ব বেশি হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই আগুনে পুড়ে যায় অধিকাংশ সম্পদ।
স্থানীয় বাসিন্দা কাজল সরকার বলেন, উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় আমরা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। বুড়িচং থেকে আসতে আসতে সবকিছু ছাই হয়ে যায়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন জানান, প্রতিবছর অগ্নিকাণ্ডে বিভিন্ন হাট-বাজার ও বাড়িঘরে কোটি টাকার ক্ষতি হয়। ব্রাহ্মণপাড়ায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন জরুরি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বলেন, ব্রাহ্মণপাড়ায় ফায়ার সার্ভিস স্থাপন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
উপজেলাবাসীর দাবি—ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হোক।
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে সমস্যা থাকায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন করতে দেরি হচ্ছে।