জলাবদ্ধতার ঝুঁকি
ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ছোট-বড় হাটবাজারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করেই চলছে নিষিদ্ধ পলিথিনের রমরমা ব্যবহার ও বাণিজ্য। এর ফলে পরিবেশের পরিবেশগত ক্ষতির পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতেই নালা-নর্দমা আটকে দেখা দিচ্ছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাহেবাবাদ বাজার, ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার, মাধবপুর বাজার, চান্দলা বাজার, বড়ধুশিয়া বাজার ও সিদলাই বাজারসহ প্রতিটি হাটবাজারেই এখন পলিথিনের বিপুল ব্যবহার চোখে পড়ে। শাকসবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় যেকোনো পণ্য কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিচারে ব্যবহার করছেন ক্ষতিকর এই ব্যাগ।
হাটবাজারের বর্জ্য হিসেবে ফেলা এসব পলিথিন জমছে ড্রেন ও নালা-নর্দমায়। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে এবং রাস্তায় পানি জমে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে চরম ব্যাঘাত ঘটছে।
পলিথিনের এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়িক নেতারাও। ব্রাহ্মণপাড়া সদর পশ্চিম বাজারের সাধারণ সম্পাদক কাজল সরকার বলেন, পলিথিনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো পলিথিনে ছেয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম জানান, বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, পলিথিন ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত এবং বাজারে যারা এটি ব্যবহার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ছোট-বড় হাটবাজারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করেই চলছে নিষিদ্ধ পলিথিনের রমরমা ব্যবহার ও বাণিজ্য। এর ফলে পরিবেশের পরিবেশগত ক্ষতির পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতেই নালা-নর্দমা আটকে দেখা দিচ্ছে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাহেবাবাদ বাজার, ব্রাহ্মণপাড়া সদর বাজার, মাধবপুর বাজার, চান্দলা বাজার, বড়ধুশিয়া বাজার ও সিদলাই বাজারসহ প্রতিটি হাটবাজারেই এখন পলিথিনের বিপুল ব্যবহার চোখে পড়ে। শাকসবজি, মাছ-মাংস থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় যেকোনো পণ্য কেনাকাটায় ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিচারে ব্যবহার করছেন ক্ষতিকর এই ব্যাগ।
হাটবাজারের বর্জ্য হিসেবে ফেলা এসব পলিথিন জমছে ড্রেন ও নালা-নর্দমায়। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে এবং রাস্তায় পানি জমে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে চরম ব্যাঘাত ঘটছে।
পলিথিনের এই অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়িক নেতারাও। ব্রাহ্মণপাড়া সদর পশ্চিম বাজারের সাধারণ সম্পাদক কাজল সরকার বলেন, পলিথিনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো পলিথিনে ছেয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন্নী ইসলাম জানান, বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, পলিথিন ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত এবং বাজারে যারা এটি ব্যবহার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।