ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে সরাসরি অংশ নিয়েছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন জসিম। গতকাল রোববার মধ্যরাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাদী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এর আগে নির্বাচনের পরপরই তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে সীমান্তে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এসময় মোটরসাইকেলযোগে মাদককারবারিরা তৎপর হয়ে ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে সন্দেহভাজন মাদককারবারিরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের অভিযোগ থাকলেও এভাবে জনপ্রতিনিধির সরাসরি উপস্থিতিতে অভিযান আগে দেখা যায়নি। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং মাদককারবারিদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা বলে মনে করছেন তারা।
সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন জসিম বলেন, আমি নির্বাচনের সময়ই বলেছি, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার রোধে কঠোর নজরদারি থাকবে। মাদককারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মালিকদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও তারা নিশ্চিত করেছে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে সরাসরি অংশ নিয়েছেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন জসিম। গতকাল রোববার মধ্যরাতে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাদী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এর আগে নির্বাচনের পরপরই তিনি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে সীমান্তে মাদক কারবারিদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এসময় মোটরসাইকেলযোগে মাদককারবারিরা তৎপর হয়ে ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের খবর টের পেয়ে সন্দেহভাজন মাদককারবারিরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের অভিযোগ থাকলেও এভাবে জনপ্রতিনিধির সরাসরি উপস্থিতিতে অভিযান আগে দেখা যায়নি। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং মাদককারবারিদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা বলে মনে করছেন তারা।
সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন জসিম বলেন, আমি নির্বাচনের সময়ই বলেছি, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার রোধে কঠোর নজরদারি থাকবে। মাদককারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মালিকদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও তারা নিশ্চিত করেছে।