নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি

নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের আয়োজনে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা আজ সোমবার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য কামাল মজুমদারের সভাপতিত্বে বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান। বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক আহবায়ক শাহআলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট থানা পরিদর্শক শাহজালাল, সেকেন্ড অফিসার এসআই গণেশ চন্দ্র শীল, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব আবদুল মতিন, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি জামাল মজুমদার, নাঙ্গলকোট উপজেলা জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির মাওলানা ইউছুফ আলী। বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদ মাস্টার মিজানুর রহমান স্বপন, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন যুবদল সাবেক আহবায়ক মোবারক হোসেন, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হোসেন কুতুব, ফারুক মোল্লা, যুবদল নেতা জসিম, গিয়াস উদ্দিন, আমিন হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, নাঙ্গলকোটে একটি পৌরসভা এবং ১৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। ওয়ার্ড রয়েছে ১৫০টি। বিশাল এলাকা নিয়ে নাঙ্গলকোট গঠিত। অথচ ১৫জন অফিসারসহ পুলিশের জনবল রয়েছে প্রায় ৬৫জন। এত অল্পসংখ্যক জনবল নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মাদক সমাজের একটি ক্যান্সার। অন্যান্য অপরাধের একটি সূতিকাগার। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রয়েছে। তাদের কাজ হচ্ছে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু পুলিশ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মাদক নিয়ে কাজ করে। একটি ইউনিয়নের সামজকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, পুলিশসহ ৫টি পেশার লোক একসাথে কাজ করলে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। আমরা চাই গান্দাছি গ্রাম হবে মাদকমুক্ত গ্রাম। এ ধরনের একটি সাইনবোর্ড টাঙাতে চাই। কাদবা গ্রাম অপরাধমুক্ত গ্রাম। এ ধরনেরও আরেকটি সাইনবোর্ড টাঙাতে চাই। আমরা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং পাড়াভিত্তিক শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং পঞ্চায়েতের লোকজনকে নিয়ে নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করব। তাদের মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাকাতি, চুরি, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমাদের সাহসের মাধ্যমে বুক চিতিয়ে অপরাধ নিমূল করতে হবে। আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এক সময় তারাই আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। আমাদেরকে ভয়কে জয় করে অপরাধীদের শক্তভাবে দমন করতে হবে। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আপরাধ নির্মূলে আমরা সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বক্তারা বলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলার মধ্যে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নটি ভারতের সীমান্তবর্তী হওয়ায় সহজে বিভিন্ন রুট দিয়ে অবাধে মাদক ঢুকছে। বিশেষ করে পরিকোট, গান্দাছি এবং শ্যামপুর এলাকার বিভিন্ন রুট দিয়ে অবাধে মাদক ঢুকছে। এছাড়া বাঙ্গড্ডা এলাকার রাইসমিল এলাকা, উত্তর পাড়া, গান্দাছি, বাঙ্গড্ডা পশ্চিমবাজার থেকে বাঙ্গড্ডা দিঘীর পাড় হয়ে নিমুড়ি দিয়ে পদুয়া পর্যন্ত নতুন রাস্তা এলাকা, রামেরবাগ পুকুরপাড়, জোড়কুমা সেতু এলাকা মাদকের আড্ডাখানা হিসেবে চিহিৃত বলে অভিযোগ করেন।

নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের আয়োজনে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং, নারী ও শিশু নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা আজ সোমবার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য কামাল মজুমদারের সভাপতিত্বে বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান। বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক আহবায়ক শাহআলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট থানা পরিদর্শক শাহজালাল, সেকেন্ড অফিসার এসআই গণেশ চন্দ্র শীল, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব আবদুল মতিন, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি জামাল মজুমদার, নাঙ্গলকোট উপজেলা জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির মাওলানা ইউছুফ আলী। বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদ মাস্টার মিজানুর রহমান স্বপন, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়ন যুবদল সাবেক আহবায়ক মোবারক হোসেন, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হোসেন কুতুব, ফারুক মোল্লা, যুবদল নেতা জসিম, গিয়াস উদ্দিন, আমিন হোসেন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, নাঙ্গলকোটে একটি পৌরসভা এবং ১৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। ওয়ার্ড রয়েছে ১৫০টি। বিশাল এলাকা নিয়ে নাঙ্গলকোট গঠিত। অথচ ১৫জন অফিসারসহ পুলিশের জনবল রয়েছে প্রায় ৬৫জন। এত অল্পসংখ্যক জনবল নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। মাদক সমাজের একটি ক্যান্সার। অন্যান্য অপরাধের একটি সূতিকাগার। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রয়েছে। তাদের কাজ হচ্ছে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু পুলিশ সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মাদক নিয়ে কাজ করে। একটি ইউনিয়নের সামজকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, পুলিশসহ ৫টি পেশার লোক একসাথে কাজ করলে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। আমরা চাই গান্দাছি গ্রাম হবে মাদকমুক্ত গ্রাম। এ ধরনের একটি সাইনবোর্ড টাঙাতে চাই। কাদবা গ্রাম অপরাধমুক্ত গ্রাম। এ ধরনেরও আরেকটি সাইনবোর্ড টাঙাতে চাই। আমরা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং পাড়াভিত্তিক শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং পঞ্চায়েতের লোকজনকে নিয়ে নিরপেক্ষ কমিটি গঠন করব। তাদের মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ডাকাতি, চুরি, মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আমাদের সাহসের মাধ্যমে বুক চিতিয়ে অপরাধ নিমূল করতে হবে। আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এক সময় তারাই আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। আমাদেরকে ভয়কে জয় করে অপরাধীদের শক্তভাবে দমন করতে হবে। আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আপরাধ নির্মূলে আমরা সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বক্তারা বলেন, নাঙ্গলকোট উপজেলার মধ্যে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নটি ভারতের সীমান্তবর্তী হওয়ায় সহজে বিভিন্ন রুট দিয়ে অবাধে মাদক ঢুকছে। বিশেষ করে পরিকোট, গান্দাছি এবং শ্যামপুর এলাকার বিভিন্ন রুট দিয়ে অবাধে মাদক ঢুকছে। এছাড়া বাঙ্গড্ডা এলাকার রাইসমিল এলাকা, উত্তর পাড়া, গান্দাছি, বাঙ্গড্ডা পশ্চিমবাজার থেকে বাঙ্গড্ডা দিঘীর পাড় হয়ে নিমুড়ি দিয়ে পদুয়া পর্যন্ত নতুন রাস্তা এলাকা, রামেরবাগ পুকুরপাড়, জোড়কুমা সেতু এলাকা মাদকের আড্ডাখানা হিসেবে চিহিৃত বলে অভিযোগ করেন।