ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণপাড়ায় ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে আত্মনির্ভরশীল জীবনের পথে পা বাড়ালেন দুই ব্যক্তি। তাঁদের এই বদলে যাওয়ার যাত্রায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ।
আজ রোববার উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে একজনকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং অন্য একজনকে বাছুরসহ দেশি গাভী প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে এই উপকরণগুলো তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মহসিন কবির সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বেল্লাল চৌধুরী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহীদুল করিম,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপহার হস্তান্তরের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি কোনো সম্মানজনক পেশা নয়। আমরা চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ শ্রমের বিনিময়ে সচ্ছলতা অর্জন করুক। আজ যে অটোরিকশা ও গাভী দেওয়া হলো, তা কেবল অনুদান নয়, বরং একটি নতুন জীবনের সূচনা। আমি আশা করি, তাঁরা এই সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলবেন এবং ভবিষ্যতে অন্য অসহায় মানুষদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা। অটোরিকশা ও গাভী পেয়ে দুই পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লæত হয়ে পড়েন। তাঁরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতে আর ভিক্ষাবৃত্তি করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে দুটি অসহায় পরিবারে সচ্ছলতা ফিরবে এবং তারা সমাজের মূলধারায় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানের শেষে ইউএনও সুবিধাভোগীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

ব্রাহ্মণপাড়ায় ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে আত্মনির্ভরশীল জীবনের পথে পা বাড়ালেন দুই ব্যক্তি। তাঁদের এই বদলে যাওয়ার যাত্রায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ।
আজ রোববার উপজেলা চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে একজনকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং অন্য একজনকে বাছুরসহ দেশি গাভী প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে এই উপকরণগুলো তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মহসিন কবির সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বেল্লাল চৌধুরী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহীদুল করিম,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
উপহার হস্তান্তরের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি কোনো সম্মানজনক পেশা নয়। আমরা চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ শ্রমের বিনিময়ে সচ্ছলতা অর্জন করুক। আজ যে অটোরিকশা ও গাভী দেওয়া হলো, তা কেবল অনুদান নয়, বরং একটি নতুন জীবনের সূচনা। আমি আশা করি, তাঁরা এই সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলবেন এবং ভবিষ্যতে অন্য অসহায় মানুষদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে উপজেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা। অটোরিকশা ও গাভী পেয়ে দুই পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লæত হয়ে পড়েন। তাঁরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতে আর ভিক্ষাবৃত্তি করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই উদ্যোগের ফলে দুটি অসহায় পরিবারে সচ্ছলতা ফিরবে এবং তারা সমাজের মূলধারায় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠানের শেষে ইউএনও সুবিধাভোগীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।