ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় মাদক বহন ও সেবন, চুরির মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্তসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া আদর্শ কলেজের ফটকের সামনে ব্রাহ্মণপাড়া-মিরপুর সড়কে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মো. জালাল উদ্দিন (৪৩) নামের এক ব্যক্তি পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর ফেলে যাওয়া ১৬ কেজি গাঁজা ও মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের গাউছিয়া পাওয়ার হাউস নামের একটি দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শশীদল এলাকার এনামুল হক ওরফে শানু (৪২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া মাদক সেবনের অপরাধে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাঁচজনকে সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন বাহারুল ইসলাম (২৪), হাসান (৩৮), হাসান (২০), লিমন হোসেন (২৩) ও আল আমিন (২১)।
অন্যদিকে পৃথক অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি হেলাল উদ্দিন (৪৫) ও বিল্লাল হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণপাড়া থানার একটি চুরি মামলার পলাতক আসামি রবিউল হাসানকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণপাড়ায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় মাদক বহন ও সেবন, চুরির মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্তসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের বড়ধুশিয়া আদর্শ কলেজের ফটকের সামনে ব্রাহ্মণপাড়া-মিরপুর সড়কে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মো. জালাল উদ্দিন (৪৩) নামের এক ব্যক্তি পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর ফেলে যাওয়া ১৬ কেজি গাঁজা ও মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের গাউছিয়া পাওয়ার হাউস নামের একটি দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শশীদল এলাকার এনামুল হক ওরফে শানু (৪২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া মাদক সেবনের অপরাধে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাঁচজনকে সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা হলেন বাহারুল ইসলাম (২৪), হাসান (৩৮), হাসান (২০), লিমন হোসেন (২৩) ও আল আমিন (২১)।
অন্যদিকে পৃথক অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি হেলাল উদ্দিন (৪৫) ও বিল্লাল হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া ব্রাহ্মণপাড়া থানার একটি চুরি মামলার পলাতক আসামি রবিউল হাসানকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্রাহ্মণপাড়া থানা-পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।