ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালি স্বপ্নের সমারোহ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নে হানা দিয়েছে ছত্রাকজনিত 'ব্লাস্ট' রোগ। হেক্টরপ্রতি ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও শেষ সময়ে এসে রোগবালাইয়ের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। ধানের শীষ শুকিয়ে লালচে-ধূসর হয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ হাজার ৫৮০ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষাবাদ হয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরম আর কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় হঠাৎ করেই বিভিন্ন এলাকায় ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
মাঠে গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষকের জমির ধানের শীষ মরে লালচে হয়ে গেছে।
উপজেলার কান্দুঘর এলাকার কৃষক রহিম মিয়া বলেন, অনেক আশা নিয়া এবার বোরো আবাদ করছিলাম। সার-কীটনাশকের যে দাম, অনেক টাকা ঋণ কইরা জমিতে দিছি। এখন দেখি ধানের শীষ মইরা লাল হইয়া যাইতেছে। বিষ দিয়াও কোনো কাম হইতেছে না। সামনে কী খামু, আর ঋণ শোধ করমু কেমনে— সেই চিন্তায় রাইতে ঘুম আসে না।
আরেক কৃষক করিম উদ্দিন বলেন, ধান যখন থোড় থাইকা বাইর হইল, তখন খুব খুশি আছিলাম। কিন্তু দুই-তিন দিনের ব্যবধানে চোখের সামনে মাঠের পর মাঠ নষ্ট হইয়া গেল। কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শ নিছি, কিন্তু লাভ কতটুকু হইব জানি না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, এ বছর আমাদের উপজেলায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফলনও বেশ ভালো হওয়ার কথা ছিল। তবে কিছু এলাকায় আবহাওয়ার কারণে ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আমাদের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সঠিক সময়ে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করলে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সোনালি স্বপ্নের সমারোহ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নে হানা দিয়েছে ছত্রাকজনিত 'ব্লাস্ট' রোগ। হেক্টরপ্রতি ফলনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও শেষ সময়ে এসে রোগবালাইয়ের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। ধানের শীষ শুকিয়ে লালচে-ধূসর হয়ে যাওয়ায় ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮ হাজার ৫৮০ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষাবাদ হয়েছে। তবে গত কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরম আর কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় হঠাৎ করেই বিভিন্ন এলাকায় ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
মাঠে গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষকের জমির ধানের শীষ মরে লালচে হয়ে গেছে।
উপজেলার কান্দুঘর এলাকার কৃষক রহিম মিয়া বলেন, অনেক আশা নিয়া এবার বোরো আবাদ করছিলাম। সার-কীটনাশকের যে দাম, অনেক টাকা ঋণ কইরা জমিতে দিছি। এখন দেখি ধানের শীষ মইরা লাল হইয়া যাইতেছে। বিষ দিয়াও কোনো কাম হইতেছে না। সামনে কী খামু, আর ঋণ শোধ করমু কেমনে— সেই চিন্তায় রাইতে ঘুম আসে না।
আরেক কৃষক করিম উদ্দিন বলেন, ধান যখন থোড় থাইকা বাইর হইল, তখন খুব খুশি আছিলাম। কিন্তু দুই-তিন দিনের ব্যবধানে চোখের সামনে মাঠের পর মাঠ নষ্ট হইয়া গেল। কৃষি অফিসের লোকজনের পরামর্শ নিছি, কিন্তু লাভ কতটুকু হইব জানি না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবদুল মতিন বলেন, এ বছর আমাদের উপজেলায় বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফলনও বেশ ভালো হওয়ার কথা ছিল। তবে কিছু এলাকায় আবহাওয়ার কারণে ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আমাদের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সঠিক সময়ে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করলে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।