কফিন ঘিরে স্বজনদের আহাজারি
ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি

দেশে ফিরল প্রবাসী শাহ আলম ভূঁইয়ার মরদেহ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হুজাইরাহ আমিরাতের আল-শিফা’আ এলাকায় ভূপাতিত একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছায়। কফিন ঘিরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ, শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো পরিবারে।
গত ১ এপ্রিল বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে দুবাইয়ের নিজ কর্মস্থলে নিহত হন তিনি। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) প্রয়াত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে প্রথমবার জীবিকার সন্ধানে দুবাই যান শাহ আলম। সর্বশেষ গত ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছিলেন। চার সন্তানের জনক শাহ আলমের এমন মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
এ বিষয়ে সাহেবাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন বলেন, শাহ আলমের মরদেহ তাঁর নিজ বাড়িতে খবর পৌঁছানোর পর থেকে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
একই দিন বাদ আসর নামাজের জানাজা শেষ পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

দেশে ফিরল প্রবাসী শাহ আলম ভূঁইয়ার মরদেহ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের হুজাইরাহ আমিরাতের আল-শিফা’আ এলাকায় ভূপাতিত একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছায়। কফিন ঘিরে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ, শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো পরিবারে।
গত ১ এপ্রিল বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে দুবাইয়ের নিজ কর্মস্থলে নিহত হন তিনি। নিহত শাহ আলম কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের (ভূঁইয়া বাড়ি) প্রয়াত হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে প্রথমবার জীবিকার সন্ধানে দুবাই যান শাহ আলম। সর্বশেষ গত ২০২৫ সালে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছিলেন। চার সন্তানের জনক শাহ আলমের এমন মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে।
এ বিষয়ে সাহেবাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন বলেন, শাহ আলমের মরদেহ তাঁর নিজ বাড়িতে খবর পৌঁছানোর পর থেকে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
একই দিন বাদ আসর নামাজের জানাজা শেষ পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।