বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্র পুর গ্রামে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার এবং নেয়ামুল কবিরের স্ত্রী শেফালী বেগম। শেফালীর সঙ্গে এক বছরের একটি শিশু ছিল ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র ঝগড়া লাগলে ৯৯৯ লাইনে কল করলে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির কয়েকজন সদস্য উভয়পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৯৯৯-এর কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রামচন্দ্র পুর গ্রামে পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার এবং নেয়ামুল কবিরের স্ত্রী শেফালী বেগম। শেফালীর সঙ্গে এক বছরের একটি শিশু ছিল ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র ঝগড়া লাগলে ৯৯৯ লাইনে কল করলে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির কয়েকজন সদস্য উভয়পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত কনস্টেবল মো. ফোরকানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় ৯৯৯-এর কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা প্রদান এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।