বুড়িচং প্রতিনিধি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু তাহের (৬০) কে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা -ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাতেই কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওরা এলাকা থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু তাহের বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদের ছেলে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি আব্দুস সালাম বলেন,আবু তাহেরকে শুক্রবার রাতে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিকেলে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
তবে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আবু তাহের একজন সৎ ও পরোপকারী চেয়ারম্যান। তিনি কোন ধরনের ফ্যাসিস্ট আচরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন ও মনোনয়ন পাননি। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর তিনি পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেনের ষড়যন্ত্রের শিকার হন। আবু তাহের এর আগেও একবার চেয়ারম্যান ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি চেয়ারম্যান হন। এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু তাহের (৬০) কে গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা -ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাতেই কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার আড়াইওরা এলাকা থেকে আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবু তাহের বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুল মজিদের ছেলে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি আব্দুস সালাম বলেন,আবু তাহেরকে শুক্রবার রাতে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিকেলে তাঁকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
তবে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আবু তাহের একজন সৎ ও পরোপকারী চেয়ারম্যান। তিনি কোন ধরনের ফ্যাসিস্ট আচরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থন ও মনোনয়ন পাননি। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর তিনি পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেনের ষড়যন্ত্রের শিকার হন। আবু তাহের এর আগেও একবার চেয়ারম্যান ছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি চেয়ারম্যান হন। এলাকায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে।