নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার বুড়িচংয়ে বাসচাপায় প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার কালাকচুয়া এলাকার মায়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ছাতারপাইয়া গ্রামের আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম(৪০), ছেলে সাইফ(৭) ও মেয়ে লাবিবা(১৮) এবং গাড়ির চালক জামাল হোসেন (৫২)। গাড়ি চালকের বাড়ি বরিশাল।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন জানান, স্টারলাইনের বাসটি প্রাইভেটকারটিকে ডানদিক থেকে চাপা দেয়। সম্ভবত তারা মায়ামি হোটেলে নাশতা করতে ঢুকেছিল। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে বিস্তারিত বলা যাবে।
এই কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থলেই চালক মারা যান। বাকিরা স্থানীয় ইস্টার্ন মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনায় আবরার (১২) নামে আবদুল মমিনের আরেক সন্তান আহত হয়েছেন। তাকে আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস, প্রাইভেটকার এবং মৃতদেহগুলো থানায় আনা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পরপর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার বুড়িচংয়ে বাসচাপায় প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় উপজেলার কালাকচুয়া এলাকার মায়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ছাতারপাইয়া গ্রামের আব্দুল মমিন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম(৪০), ছেলে সাইফ(৭) ও মেয়ে লাবিবা(১৮) এবং গাড়ির চালক জামাল হোসেন (৫২)। গাড়ি চালকের বাড়ি বরিশাল।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন জানান, স্টারলাইনের বাসটি প্রাইভেটকারটিকে ডানদিক থেকে চাপা দেয়। সম্ভবত তারা মায়ামি হোটেলে নাশতা করতে ঢুকেছিল। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে বিস্তারিত বলা যাবে।
এই কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থলেই চালক মারা যান। বাকিরা স্থানীয় ইস্টার্ন মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনায় আবরার (১২) নামে আবদুল মমিনের আরেক সন্তান আহত হয়েছেন। তাকে আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস, প্রাইভেটকার এবং মৃতদেহগুলো থানায় আনা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পরপর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।